গত বৃহস্পতিবার সকাল ১০টায় ভারতীয় হাই কমিশনের একটি প্রতিনিধি দল দাসিয়ারছড়ার কালিরহাট কমিউনিটি সেন্টারে আসলে তারা এ মতামত দেন।
ভারতীয় প্রতিনিধি দলে ছিলেন ভারতীয় অতিরিক্ত নিবন্ধক এসকে চক্রবর্তী, ভারতীয় সহকারী স্বরাষ্ট্র সচিব এম এস ইফশিতা শাহা পাল, কলিকাতা সচিবালয়ের শাখা প্রধান এম এস কাজারী বিশ্বাস, রাজশাহী সহকারী হাই কমিশনার অভিজিৎ চট্টপ্যাধায়, ভারতীয় হাইকমিশন ঢাকার প্রথম সচিব রমাকান্ত গুপ্ত, রাজশাহী হাই কমিশনের সহকারী অ্যাটাসে অভিজিৎ মিত্ত।
ফুলবাড়ি উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা দেবেন্দ্র নাথ উরাঁও ট্রিবিউনকে জানান, প্রতিনিধি দলের কাছে ৫৪ জন বাংলাদেশে থেকে যাওয়ার কথা জানিয়েছেন। বাকি ৫ জন এলাকায় না থাকায় অনুপস্থিত ছিলেন।
২০১৫ সালের ৩১ জুলাই রাত ১২টার (১ আগস্ট) পর স্থল সীমান্ত চুক্তি বাস্তবায়নের ফলে ছিটমহল বিনিময় কার্যকর হয়। ২০১৫ সালের ৬-১৬ জুলাই তৎকালীন ছিটমহলগুলোতে পরিচালিত যৌথ সমীক্ষায় কুড়িগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত ছিটমহলগুলোতে মোট ৭ হাজার ৮৮৬ জনের তালিকা করা হয়। যৌথ সমীক্ষায় হেড কাউন্টিং হালনাগাদ এবং অধিবাসীদের নাগরিকত্ব বিষয়ে মতামত নেওয়া হয়। সে সময় কুড়িগ্রাম জেলার অন্তর্ভুক্ত ১২টি ছিটমহলের অধিবাসীদের মধ্য থেকে ভারত যেতে ইচ্ছা প্রকাশ করেন ৩০৫ জন। তাদের মধ্যে ২৪৫ জন ভারত যান, এক জনের মৃত্যু হয় এবং বাকি ৫৯ জন অধিবাসী শেষ পর্যন্ত বাংলাদেশেই তাদের পৈতৃক ভিটে-মাটিতে থেকে যাওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়ে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে ভারতীয় হাইকমিশনে আবেদন করেন।
আরও পড়ুন:
জামায়াত নেতাদের ফাঁসির বিষয়টি জাতিসংঘে তুলবে পাকিস্তান
নতুন উদ্দীপনা নিয়ে আগামীর পথ চলার অঙ্গীকার
অনলাইন পত্রিকা জ্ঞানভিত্তিক সমাজ গঠনে অবদান রাখছে
/জেবি/এসএনএইচ/