জোয়ারের পানি ঢুকে ওই এলাকার বাড়ি-ঘর, কৃষি জমি ও মাছের ঘের তলিয়ে গেছে। প্লাবিত এলাকার মানুষ ব্যাপক ক্ষতির সম্মুখিন হয়েছেন।
পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, সদর উপজেলার বুড়িরচরের সোনাতলা, নলটোনা ইউনিয়নের নলটোনা, ছোটবালিয়াতলী, কেওড়াবুনিয়া ইউনিয়নের কেওড়াবুনিয়া, আয়লাপাতাকাট ইউনিয়নের বৈকালীন বাজার সংলগ্ন বেড়িবাধ ভেঙে গেছে।
প্লাবিত গ্রামগুলো হচ্ছে- বরগুনা সদর উপজেলার মাঝের চর, ডেমা গুলিশাখালী, মানিকখালী, লবনগোলা, নাপিতখালী, পূর্ব বুড়িরচর। ঢলুয়া ইউনিয়নের নলী বন্দরের উত্তর পাশে বেরিবাঁধ ভেঙে নলী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। ডালভাঙা এলাকায় বেরিবাঁধ ভেঙে যাওয়ায় দক্ষিণ ডালভাঙ্গা ও মাছখালী গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। বান্দরগাছিয়া স্লুইস গেট না থাকায় ওই এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বেতাগী উপজেলার- দক্ষিণ কালিকাবাড়ি, আলিয়াবাদ, উত্তর কালিকাবাড়ি, ভোড়া, বেতমোড়, উত্তর বেতাগী, কেওয়াবুনিয়া, ঝোপখালী প্লাবিত হয়েছে।
আমতলী উপজেলার- বৈঠাকাটা, কুলুর চর, পূর্ব চিলা, পশ্চিম চিলা, উত্তর তক্তাবুনিয়া। এছাড়াও আমতলী পৌরসভার আম্মুয়ার চর পানিতে তলিয়ে গেছে।
তালতলী উপজেলার নিশানবাড়ীয়া ইউনিয়নের বেড়িবাঁধ ভেঙে খোটকারচর, তেতুলবাড়িয়া, নলবুনিয়া, আশারচর, সখিনা ও আমখোলা এবং পাথরঘাটা উপজেলার কাকচিড়া ইউনিয়নের কাকচিড়া, গুদিঘাটা, কালিকাবাড়ি, সিংরাবুনিয়া, বাইনচটকি এলাকা প্লাবিত হয়েছে।
বরগুনা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলি এস এম শহীদুল ইসলাম বলেন, বিভিন্ন এলাকায় বেড়িবাঁধ ভাঙনের খবর পাওয়া গেছে। তবে আবহাওয়া বৈরি হওয়ায় এলাকা পরিদর্শন করা যায়নি। আবহাওয়া ভালো হলে ভাঙন কবলিত এলাকা পরিদর্শন করে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাপ করা হবে। ভাঙনের বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। পরিদর্শনের পর এই বিষয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
আরও পড়ুন-
বৈরি আবহাওয়ায় পাটুরিয়া-দৌলতদিয়ায় লঞ্চ চলাচল বন্ধ
ভোলায় ঝড়ে দুজনের মৃত্যু
/জেবি/এফএস/