জানা গেছে, লুহিন সকাল সাড়ে ৮টার দিকে বাড়ির পাশে খেলা করতে গিয়ে পুকুরে পড়ে যায়। পরে পরিবারের লোকজন তাকে উদ্ধার করে আশংকাজনক অবস্থায় উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিয়ে আসলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
নিহতের স্বজনদের অভিযোগ, হাসপাতালে শিশুটিকে নিয়ে আসার পর কোনও চিকিৎসককে পাওয়া যায়নি। সময়মত চিকিৎসা করা গেলে শিশুটিকে বাঁচানো সম্ভব হতো।
এদিকে, চিকিৎসায় অবহেলার অভিযোগে সকাল সাড়ে ৯টা থেকে এলাকাবাসী হাসপাতাল ঘেরাও করে রাখে। পরে পুলিশ ঘটনার তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিলে বেলা ১১টার দিকে এলাকাবাসী সেখান থেকে সরে যায়।
নিহতের পিতা মো. মিজানুর রহমান অভিযোগ করে বলেন, হাসপাতালে চিকিৎসক না থাকায় তার ছেলেকে বাঁচানো সম্ভব হয়নি। এ সময় তিনি চিকিৎসকদের শাস্তি দাবি করেন।
এদিকে অভিযুক্ত চিকিৎসক উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিক্যাল অফিসার মো. কামাল হোসেন অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, হাসপাতালে নেওয়ার আগেই শিশুটির মৃত্যু হয়। এলাকাবাসী বিষয়টি না বুঝেই এমন আচরণ করছেন।
উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. সাজেবুর রহমান জানান, কমিটি গঠন বরে তদন্ত করে বিষয়টি দ্রুত সমাধান করা হবে।
আরও পড়তে পারেন : ধর্ষণ মামলা করায় কিশোরীকে তুলে নিয়ে যাওয়ার অভিযোগ
/এসএনএইচ/টিএন/