বৃহস্পতিবার দুপুরে তাদের সেনানিবাসে জিজ্ঞাসাবাদ করে সিআইডি। সিআইডি কুমিল্লার একটি বিশ্বস্ত সূত্র বৃহস্পতিবার রাতে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
সূত্র জানায়, জিজ্ঞাসাবাদের নেতৃত্বে ছিলেন সিআইডি কুমিল্লার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার প্রণব কুমার রায়। এসময় উপস্থিত ছিলেন সিআইডি কুমিল্লার সহকারী পুলিশ সুপার জালাল আহমেদ ও মোজাম্মেল হক, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার পরিদর্শক গাজী মো. ইব্রাহিম ও পরিদর্শক মো.শাহনেওয়াজ।
সূত্র আরও জানায়, ওই তিন সেনাসদস্য লাশের পাশে ছড়িয়ে ছিটিয়ে থাকা আলামত সংগ্রহ করে মামলার প্রথম তদন্তকারী কুমিল্লা কোতোয়ালি মডেল থানার এসআই সাইফুল ইসলামের কাছে জমা দেন।
এর আগেও সিআইডি সেনানিবাসে গিয়ে এবং নিজেদের কার্যালয়ে এনে সেনাসদস্যসহ একাধিকজনকে জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন।
মামলার বর্তমান তদন্তকারী কর্মকর্তা সিআইডি কুমিল্লার পরিদর্শক গাজী মো. ইব্রাহিমের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
উল্লেখ্য, ২০ মার্চ রাতে কুমিল্লা সেনানিবাসের বাসার কাছ থেকে তনুর লাশ উদ্ধার করেন তার বাবা ইয়ার হোসেন। পরদিন ২১ মার্চ দুপুরে কুমিল্লা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালের ফরেনসিক বিভাগের ডা. শারমীন সুলতানা তনুর প্রথম ময়নাতদন্ত করেন। একই দিন তনুর বাবা থানায় অজ্ঞাতদের নামে মামলা দায়ের করেন। মামলা পুলিশ, ডিবি হয়ে সিআইডির হাতে যায়।
আরও পড়ুন: পুলিশের কাছে নিরাপত্তা চাইলেন তনুর ময়নাতদন্তকারী চিকিৎসক
/এনএস/এএইচ/