সভায় ত্রাণমন্ত্রী মায়া জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তারা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় না যাওয়ায় অসন্তোষ প্রকাশ করেন। এসময় মন্ত্রী জেলা পর্যায়ের কর্মকর্তাদের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকায় গিয়ে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নির্দিষ্টকরণের নির্দেশ দেন।
মন্ত্রী বলেন, জেলা প্রশাসকের চাহিদা অনুযায়ী সব ধরনের ত্রাণ পাঠানো হবে। নোয়াখালীর হাতিয়া, সুবর্ণচর ও কোম্পানীগঞ্জে ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারগুলোর জন্য ৩ বান্ডেল করে টিন ও তৈরি খরচ বাবদ প্রতি পরিবারকে ৯ হাজার টাকা দেওয়া হবে। পরে তিনি কোম্পানীগঞ্জের ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শন করেন।
জেলা প্রশাসক বদরে মুনির ফেরদৌসের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় অন্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব রিয়াজ আহমেদ, পুলিশ সুপার মো. ইলিয়াস শরীফ, জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি ও সুবর্ণচর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান খায়রুল আনম সেলিম, সদর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান শিহাব উদ্দিন শাহীন ও স্থানীয় সাংবাদিকরা।
/এমও/এপিএইচ/