ঝিনাইদহ সদর থানার ওসি হাসান হাফিজুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
হত্যার একদিন পর নিহতের বড় ছেলে অরুন গোপাল গাঙ্গুলী বাদী হয়ে অজ্ঞাত ব্যক্তিদের আসামি করে একটি হত্যা মামলা করেন।
এ প্রসঙ্গে ঝিনাইদহ সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হাসান হাফিজুর রহমান জানান, ‘এ হত্যাকাণ্ডে সঙ্গে জড়িতদের সম্পর্কে তথ্য পেয়েছি। গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে। গ্রেফতার করার পর পর সবার সামনে বিষয়টি তুলে ধরবো। একটু সময় লাগবে।’
৭ জুন সকালে পূজা করতে যাওয়ার পথে পুরোহিত আনন্দ গোপাল গাঙ্গুলীকে মহিষার ভাগাড় সোনাই খালী মাঠের মধ্যে দুর্বৃত্তরা কুপিয়ে ও গলা কেটে হত্যা করে।
ঘটনার পরদিন ৮ জুন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনের দুই কর্মকর্তা রাজেস উখাই ও রমা কান্ত গুপ্তা ঘটনাস্থল ও নিহতের বাড়ি পরিদর্শন করেন। ৯ জুন বাংলাদেশের কমিউনিস্ট পার্টির সভাপতি মুজাহিদুল ইসলাম সেলিমও ঘটনাস্থলে পরিদর্শন করেন। ১০ জুন সেখানে আসেন সরকারের মৎস্য ও প্রাণী সম্পদ প্রতিমন্ত্রী নারায়ণ চন্দ্র চন্দ। এরই ধারাবাহিকতায় আজ তিনমন্ত্রী আসছেন ঝিনাইদহে।
/এসটি/ এপিএইচ/
আরও পড়ুন: ‘বন্দুকযুদ্ধে’ আজাদ চেয়ারম্যান হত্যা মামলার দুই আসামি নিহত