খোঁজ নিয়ে জানা যায়, এরপূর্বের বছরের বর্ষা মৌসুমগুলোতে এই ছড়া নদী নৌকা ও ভেলায় চরে পারপার হতে হয়েছে এলাকাবাসীর। আবার যোগাযোগ রক্ষার জন্য কখনো কখনো হাঁটু ও কোমড় পানি ভিজিয়ে এই ছড়া পারি দিতে হয়েছে। কিংবা এর বিকল্প হিসেবে ৬/৭ কিলোমিটার মেঠোপথ ঘুরে তাঁদের উপজেলা সদর, হাটবাজার ও স্কুল কলেজে যাতায়াত করতে হয়েছে। কিন্তু এবারে সাঁকো নির্মাণের ফলে খোর্দ্দা, লাঠশালা ও তারাপুর চরের স্কুল, কলেজপড়ুয়া শিক্ষার্থী, শিক্ষক, ব্যবসা-বাণিজ্যসহ সার্বিক যোগাযোগ গুরুত্বপূর্ণ ভুমিকা পালন করবে বলে জানান এলাকাবাসী।
তারাপুর ইউপি’র নব নির্বাচিত চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লেবু জানান, গ্রামবাসীদের মধ্যে কেউ বাঁশ, কেউ নগদ টাকা, আবার কেউ দিয়েছেন শ্রম। তিনি আরো জানান, নগদ টাকা দিয়ে সুতলি, গুনা (তার) ও তারকাটা কিনে আনা হয়। এবাবে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় নির্মাণ করা হয় এই সাঁকো ।
/এমপি/