আজ রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শনে যাচ্ছে ভারতীয় প্রতিনিধি দল

রামপালে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র এবং খুলনা-মংলা রেললাইন প্রকল্প পরিদর্শনে আসছেন ভারতীয় বৈদেশিক মন্ত্রণালয় ও ভারতীয় এক্সিম ব্যংকের প্রতিনিধি দল। বুধবার প্রতিনিধি দলটি খুলনায় পৌঁছানোর কথা। মঙ্গলবার খুলনা জেলা প্রশাসন কার্যালয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।

জেলা প্রশাসনের সূত্র জানান, ভারতীয় বৈদেশিক মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব অজিত ভেনায়েক গুপ্ত, উপ সচিব প্রেম কে নীর, আন্ডার সেক্রেটারি ভিপুল কুমার মিশরী এবং ভারতীয় এক্সিম ব্যাংকের প্রতিনিধি দল দু’টি প্রকল্প পরিদর্শন করবে। বৃহস্পতিবার সকাল ৯টায় তারা খুলনা নগরীর দক্ষিণপ্রান্ত জলমায় খুলনা-মংলা রেললাইন প্রকল্প এবং বেলা ১১টায় রামপালের কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র পরিদর্শন করবেন।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, রামপাল উপজেলার শাপমারি, কৈগদ্দাশকাঠি ও কাপাসডাঙ্গা মৌজায় ১৮শ একর জমির ওপর ভারত-বাংলাদেশের যৌথ অর্থায়নে কয়লাভিত্তিক বিদ্যুৎ কেন্দ্র নির্মাণ হচ্ছে। এটি বাংলাদেশ সরকারের মেগা প্রকল্প হিসেবে চিহ্নিত। ইতিমধ্যেই ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে দিগরাজ থেকে প্রকল্প এলাকা পর্যন্ত সড়ক নির্মাণ কাজ শেষ হওয়ার পথে। এ প্রকল্পে সুন্দরবনের পরিবেশ বিপর্যয় ঘটবে বলে তেল-গ্যাস, বিদ্যুৎ-বন্দর রক্ষা জাতীয় কমিটি আন্দোলন করে আসছে।

অপরদিকে, খুলনা-মংলা রেলপথ প্রকল্পে ৭৫০ একর জমির প্রয়োজন হবে। প্রকল্পের অধীনে লুপ লাইনসহ রেলওয়ে ট্র্যাকের দৈর্ঘ্য ৮৬ দশমিক ৮৭ কিলোমিটার। এর মধ্যে ৬৪ দশমিক ৭৫ কিলোমিটার ব্রডগেজ রেলপথ নির্মাণ হবে। এর মধ্যে রূপসা নদীর উপর স্থাপিত রূপসা সেতুর দেড় কিলোমিটার দক্ষিণে যুক্ত হবে ৫ দশমিক ১৩ কিলোমিটার রেল সেতু। এছাড়া ২১টি ছোটখাট ব্রিজ ও ১১০টি কালভার্ট নির্মিত হবে।

এছাড়াও এই লাইনে ফুলতলা থেকে মংলা পর্যন্ত ৮টি স্টেশন হবে। স্টেশনগুলোর মধ্যে রয়েছে ফুলতলা, আড়ংঘাটা, মোহাম্মদ নগর, কাটাখালী, চুলকাঠি, ভাগা, দিগরাজ ও মংলা। প্রকল্পের পরামর্শক হিসাবে কাজ করছে ভারতের সিইজি নিপ্পন কোয়ি জেভি নামের একটি প্রতিষ্ঠান।

আরও পড়ুন: পাসপারমিট বন্ধ: শরণখোলায় ২৫ হাজার জেলে পরিবারে হাহাকার

/এমও/এসটি/