অপর আসামি দোকান কর্মচারী নছিরকে ৪ দিনের রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে।
আরও পড়তে পারেন: মার্কিনিদের কর্মস্থানের সম্ভাবনাকে হত্যা করছেন ট্রাম্প!
স্বীকারোক্তির বরাত দিয়ে সিলেট মেট্রোপলিটন পুলিশের এডিসি (সদর দক্ষিণ) জেদান আল মুসা জানান,পরকীয়া সংক্রান্ত কারণেই জালালকে খুন করা হয়েছে। বাবলুর এক চাচীর সঙ্গে জালালের পরকীয়ার সম্পর্ক ছিল বলে তারা জানতে পারে। এ কারণে বাবলু,তার মামাতো ভাই শিপন ও তাদের দোকান কর্মচারী নছির চার মাস আগে জালালকে হত্যার পরিকল্পনা করে। পরিকল্পনা অনুযায়ী ২৩ জুন তারা জালালকে মোবাইল ফোনে ডেকে নেয়। এরপর তারা বাঁশ দিয়ে আঘাত করে জালালকে মাটিতে ফেলে দেয়। এক পর্যায়ে দোকান কর্মচারী নছির ছুরি দিয়ে গলাকেটে তাকে হত্যা করে।
তিনি আরও জানান, মোবাইল ফোনের কল লিস্টের সূত্র ধরে পুলিশ রবিবার বিকালে তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।
প্রসঙ্গত, গত ২৩ জুন রাতে বিশ্বনাথ উপজেলার তাজমহরম গ্রামের সীমান্তবর্তী (দক্ষিণ সুরমা উপজেলাধীন) এলাকায় খুন হন দর্জি আখলিছুর রহমান জালাল (২৭)। তিনি বিশ্বনাথ উপজেলার তাজমহরম গ্রামের বাসিন্দা। জালাল সিলেট নগরীর শুকরিয়া মার্কেটের নাহিদ টেইলার্সের দর্জি ছিলেন। এ ঘটনায় তার ছোট ভাই হেলাল আহমদ বাদী হয়ে দক্ষিণ সুরমা থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। মামলার প্রেক্ষিতে পুলিশ তিন আসামিকে গ্রেফতার করে।
আরও পড়তে পারেন: স্পেনকে কাঁদিয়ে শেষ আটে ইতালি
/এআর/এমএসএম/