এছাড়া শহরের গিলাতলা চিড়িয়াখানা ও শিশু পার্কও ঈদের জন্য প্রস্তুত। নিরাপত্তা বেষ্টিত খুলনার এক মাত্র চিড়িয়াখানায় দেখা মিলবে সুন্দরবনের বাঘ রয়েল বেঙ্গল টাইগার, চিতা বাঘ, কুমির, হরিণ, বানর, হনুমান, ভল্লুক, অজগর সাপসহ নানা ধরণের পশু পাখি।
খালিশপুর ওয়ান্ডারল্যান্ড শিশু পার্কের ম্যানেজার অ্যান্ড একাউনটেন্ট শেখ মাহতাব হোসেন জানান, পুরো পার্কটি পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন ও রং করা হয়েছে। ভাঙ্গা আর অকেজো খেলনাগুলো মেরামত করা হয়েছে। ঈদের দ্বিতীয় দিন থেকে পার্কে ৫দিনব্যাপী বিনোদনমূলক অনুষ্ঠান থাকছে। এ সব অনুষ্ঠানে আসছেন শিশু শিল্পী রাতুল। প্রাণ কোম্পানি এ অনুষ্ঠানের আয়োজক। টিকিটের মূল্য নেওয়া হবে ৫০ টাকা।
নগরীর ৭ নম্বর ঘাটের নদীর পাড়ে এবার নতুন করে গড়ে উঠেছে বিনোদন স্পট। এখানে দৃষ্টিনন্দন বেঞ্চ তৈরি করা হয়েছে। যেখানে বসে নদীর সুন্দর ও নান্দনিক দৃশ্য উপভোগ করা সম্ভব।
নগরীর জোড়াগেট প্রেমকানন পুরানো বিনোদন স্পট। নির্জন এ পার্কে ঈদের ছুটিতে স্ব পরিবারে অনেকেই ঘুরতে আসেন। এছাড়া নগরীর ঐতিহ্যবাহী হাদিস পার্ক, শান্তিধাম মোড়ের জাতিসংঘ শিশু পার্কসহও বিনোদনের কেন্দ্রবিন্দুতে থাকবে।
প্রতি ঈদে মানুষের ঢল নামা খানজাহান আলী (র.) সেতু পাদদেশে রয়েছে বিনোদনের চমৎকার পরিবেশ। এখানে বসবে ঈদ মেলা। সপ্তাহব্যাপী এ মেলায় হরেক রকমের পণ্য দেখা যাবে। ভয়ানক ডাইনোসরের কথা মনে পড়ে নগরীর মুজগুন্নী পার্কে গেলে। প্রতিটি বিনোদন কেন্দ্রই ঈদ উপলক্ষে সেজেছে নতুন রূপে।
/এসএনএইচ/