দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত এই আত্মহত্যার সত্যতা নিশ্চিত করেছেন।
দৌলতপুর থানা পুলিশ ও স্বজনদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, শুক্রবার ভোরে মমতা বেগমের পুত্রবধূ কণা আক্তার (১৯) তাদের বাড়িতে আত্মহত্যা করে। এ ঘটনায় কণার ভাই আরিফ খান দৌলতপুর থানায় কণার স্বামী মনির হোসেন (২১), শ্বশুর মজিবর রহমান (৫৫),শাশুড়ি মমতা বেগম (৫০), ননদ রিক্তা আক্তার (২৫) ও ভগ্নিপতি মহিদুর রহমান (৩০)-এর বিরুদ্ধে পিটিয়ে এবং শ্বাসরোধে হত্যা করার অভিযোগ দায়ের করেন। এই ঘটনায় শুক্রবারই কণার স্বামী মনিরকে আটক করে পুলিশ।
থানায় মামলা করার পর থেকে কনার স্বামীর পরিবারের লোকজন গ্রেফতারের ভয়ে পালিয়ে বেড়াচ্ছিলেন। শনিবার সকালে মমতা বেগম লোকলজ্জা ও গ্রেফতারের ভয়ে কীটনাশক (বিষ) পান করেন।
মমতাকে স্থানীয় পার্শ্ববর্তী উলাইল বাজারের এক পল্লী চিকিৎসক ও পরে উপজেলা স্বাস্থ্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে হাসপাতালের কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এর পরপরই লাশ বাড়ি নিয়ে আসেন স্বজনরা।
দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুল নিশাত ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে জানান, শনিবার দুপুরের দিকে নিজ বাড়ি থেকে মমতা বেগমের লাশ উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ সদর হাসপাতালের মর্গে ময়নাতদন্তের জন্য পাঠানো হয়েছে।
/এমপি/