কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় জঙ্গি হামলার সময় পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষে নিহত নর্থ সাউথ বিশ্ববিদ্যালয়ের বিবিএ শেষ বর্ষের শিক্ষার্থী জঙ্গি আবির রহমানের (২৩) মরদেহ নিতে রাজি হয়নি তার পরিবার। এ অবস্থায় ঘটনার চারদিন পর তার মরদেহ কিশোরগঞ্জে দাফন করা হয়েছে। তার জানাজায় উপস্থিত ছিলেন মাত্র একজন। কিশোরগঞ্জ পৌর গোরস্থানে সোমবার সন্ধ্যায় তার মরদেহ দাফন করা হয়।
সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় জানাজা পড়ান পৌর গোরস্থানের কেয়ারটেকার মো. মাহতাব উদ্দিন। তবে জানাজায় অন্য কোনও লোক অংশ নেয়নি। এরপর কিশোরগঞ্জ পৌর গোরস্থানে তার মরদেহ দাফন করা হয়।
আবীর হোসেন কুমিল্লার দেবিদ্বার উপজেলার ত্রিবিদ্যা গ্রামের ব্যবসায়ী মো. সিরাজুল ইসলামের ছেলে। বাবা-মায়ের সঙ্গে তিনি ঢাকার ভাটারা থানার বসুন্ধরা এলাকায় বসবাস করতেন। গত ১ মার্চ তিনি বাসা থেকে রহস্যজনকভাবে নিখোঁজ হন। এ ব্যাপারে তার বাবা গত ১ জুলাই ভাটারা থানায় একটি জিডি করেন।
কিশোরগঞ্জ সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মীর মোশারফ হোসেন জানান, ‘আবিরের পরিবারের লোকজনের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তারা আবিরের মরদেহ নিতে রাজি হয়নি। আবিরের বাবা সিরাজুল ইসলামের বরাত দিয়ে তিনি বলেন, ‘যে ছেলে জঙ্গি হয়েছে সে ছেলের মরদেহ আমরা নেবো না। জঙ্গি ছেলের সঙ্গে আমাদের কোনও সম্পর্ক নেই।’ তাই আইন অনুযায়ী মরদেহ সরকারি ব্যবস্থাপনায় কিশোরগঞ্জে দাফন করা হয়।
এর আগে, ঈদুল ফিতরের দিন সকালে কিশোরগঞ্জের শোলাকিয়ায় পুলিশের ওপর হামলার সময় সংঘর্ষে নিহত হন জঙ্গি আবির হোসেন।
/টিএন/
আরও পড়ুন:
ফেসবুকে এখনও নিয়ন্ত্রণহীন সব ‘জিহাদি পেজ’
সংবাদমাধ্যম আমার বক্তব্য বিকৃতভাবে ব্যবহার করেছে: জাকির নায়েক
নারীকে গাছের সঙ্গে বেঁধে নির্যাতন, স্বামীসহ গ্রেফতার
প্রলয়ঙ্করী ভূমিকম্পের ঝুঁকিতে বাংলাদেশ
হলি আর্টিজান থেকে উদ্ধার হওয়া সবাই নজরদারিতে