মঙ্গলবার দুপুর ১টায় নারায়ণগঞ্জের সাইনবোর্ড এলাকার ঢাকা-চট্টগ্রাম ও ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে ঈদ পরবর্তী চারলেন রাস্তার কার্যক্রম পরিদর্শনে এসে তিনি এসব কথা বলেন।
মন্ত্রী আরও বলেন, মোটরসাইকেল ও তিন চাকার যানকে (থ্রি হুইলের) কঠোরভাবে নিয়ন্ত্রণে আনতে হবে। এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা করা না গেলে যানজট ও দুর্ঘটনা কোনোটাই কমানো যাবে না।
অটোরিকশা ও মোটরসাইকেলকে অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ হিসাবে উল্লেখ করে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘মোটরসাইকেলে তিনজন আরোহী বিপজ্জনক। আবার হেলমেট নেই সেটা আরও বিপজ্জনক। আমাদের দেশে দেখা যায় পুরো পরিবার অর্থাৎ স্বামী স্ত্রী সঙ্গে দুই বাচ্চা এক মোটরসাইকেলে যাচ্ছে। এই ছবি আমি প্রায়ই দেখি। এটা অত্যন্ত বিপজ্জনক। দুর্ঘটনা ঘটলে শিশুগুলো মৃত্যুমুখে পতিত হবে। তাই এসব বিষয়ে পুলিশকে আরও কঠোর হতে হবে। অটোরিকশা ও মোটরসাইকেল অধিকাংশ দুর্ঘটনার কারণ। এছাড়াও কিছু কিছু গাড়ি ও গাড়ি চালকও দুর্ঘটনার কারণ।
জঙ্গিবাদ সম্পর্কে ওবায়দুল কাদের বলেন, ‘এই সমস্যা শুধু বাংলাদেশের নয়। সন্ত্রাসের সমস্যা পৃথিবী জুড়েই আছে। বিশ্বের উন্নত দেশগুলোতেও সন্ত্রাসবাদ আছে। কয়েকদিন আগে যুক্তরাষ্ট্রে সন্ত্রাসী হামলা হয়েছে এবং সেখানে কয়দিন পরপরই হচ্ছে। এখন সারা বিশ্ব মিলে এই সমস্যা সমাধানের সময় এসেছে। আমাদের দেশে কোনও কিছু ঘটলেই আমেরিকা সহযোগিতার জন্য চলে আসে। তারা নিজেদেরই সহযোগিতা করতে পারে। তবে আমরা তাদের ট্র্যাকিং ডিভাইসের সহযোগিতা নিতে পারি। সেই ক্ষেত্রে তারা আমাদের চেয়ে অনেক এগিয়ে। যেসব বিষয়ে আমাদের অভিজ্ঞতা কম, টেকনিক্যাল সাপোর্টের অভাব রয়েছে সেসব বিষয়ে আমরা আমেরিকা কেন প্রায় সব দেশ থেকেই সাপোর্ট নিতে পারি। তাই এসব নিয়ে কোনও দ্বন্দ্বের অবকাশ নেই।’
এসময় উপস্থিত ছিলেন নারায়ণগঞ্জ সওজের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. আলিউল হোসেন, এসপি মহিদউদ্দিন, জেলা ট্রাফিকের সিনিয়র এএসপি বদরুল আলম,সওজের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী জাকির আলম প্রমুখ।
আরও পড়ুন-
পাবলিক বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের সঙ্গেও বৈঠক করবে সরকার
গুলশান হামলা: খায়রুল ও উজ্জ্বল ছিল ‘আহলে হাদিস’র অনুসারী
/জেবি/ এফএস/