দিনাজপুর জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক রবিউল ইসলাম জানান, ঘোড়াঘাটে ১০ জন, খানসামায় ২ জন ও চিরিরবন্দরে ১ জন নিখোঁজ রয়েছেন। নিখোঁজদের পরিবারের সদস্যরা বিভিন্ন সময় সংশ্লিষ্ট থানায় ১২টি জিডি করেছেন। তবে চিরিরবন্দর থানায় নিখোঁজ অন্যজনের বিষয়ে এখনও কেউ জিডি বা অভিযোগ করেননি।
জিডি সূত্রে জানা যায়, ঘোড়াঘাটে নিখোঁজ ১০ জনের মধ্যে সাহেবগঞ্জ মাজারপাড়া গ্রামের মো. তাজুল ইসলামের ছেলে মো. সাইদুর রহমান (২২), কশিগাড়ী গ্রামের রফিকুল ইসলামের ছেলে মো. তরিকুল ইসলাম (১২), শ্যামপুর পূর্ব কলেজপাড়ার নিরঞ্জন চন্দ্র সরকারের ছেলে সুজন চন্দ্র (১৯), ঋষিঘাট গ্রামের মো. হোসেন আলীর ছেলে মো. সামিউল ইসলাম (২৭), পশ্চিম পালশা গ্রামের মো. মোস্তাফিজুর রহমানের ছেলে মো. ইব্রাহিম (২০), নন্দনপুর গ্রামের মো. আব্দুর রশিদের ছেলে মো. আব্দুল হাদি (১৯), চেচুড়া গ্রামের মো. ইয়াসিন আলীর ছেলে মো. আমজাদ হোসেন (২৭), কলাবাড়ী গ্রামের মো. লুৎফর রহমানের ছেলে মো. সারওয়ার হোসেন (২৫), পালোগাড়ী গ্রামের মৃত আব্দুর রশিদ মণ্ডলের ছেলে মো. আবুল কাশেম (২৮) ও কশিগাড়ী গ্রামের মৃত সাহেব আলীর ছেলে মো. আখতারুল ইসলাম (২৮)।
খানসামা উপজেলার নিখোঁজ ২ জনের মধ্যে গোয়ালডিহি গ্রামের মোহাম্মদ হাকিমের ছেলে মো. সাদ্দাম হোসেন (২১) ও গোবিন্দপুর হলদিপাড়ার মৃত গোলাপ হোসেনের ছেলে মো. আশরাফুল আলম (২৪)।
চিরিরবন্দর উপজেলায় নিখোঁজ রয়েছেন তেতুলিয়া বাহারউদ্দীন সাহাপাড়ার মো. হবিবরের ছেলে মো. আনারুল হক (২২)।
জানা যায়, আনারুল ভুষিরবন্দর এলাকার বাবর আলীর হাফিজিয়া মাদ্রাসায় কোরআনে হাফেজ হওয়ার পর ৩ বছর আগে বাড়ি থেকে পালিয়ে যায়। এরপর সে গত এক বছর আগে বাড়িতে এসে ১৫/২০ দিন থাকার পর আবারও চলে যায়। তার ব্যাপারে বাড়ি ও এলাকার কেউ কোনও সন্ধান দিতে পারেননি।
দিনাজপুরের পুলিশ সুপার মো. রুহুল আমিন জানান, নিখোঁজ ১৩ জনের তথ্য পুলিশ সদর দফতরে পাঠানো হয়েছে। তাদের বিষয়ে পুলিশ বিভিন্ন কৌশলে অনুসন্ধান করছে।
তিনি আরও জানান, নিখোঁজদের সঙ্গে কোনও ধরনের জঙ্গি বা নাশকতামূলক কর্মকাণ্ডের সংশ্লিষ্টতা আছে কিনা পুলিশ সে বিষয়ে অনুসন্ধান করছে।
/এসএনএইচ/টিএন/
আরও পড়ুন: