সিফাত গাইবান্ধা জেলার সদর উপজেলার কালীবাড়ী গ্রামের আব্দুল কুদ্দুস মোড়লের ছেলে এবং হাবিপ্রবির সিভিল ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের লেভেল-১, প্রথম সেমিস্টারের ছাত্র। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশে ধানসিঁড়ি মেসে থাকতেন।
হাবিপ্রবি‘র প্রক্টর প্রফেসর ড. এটিএম সফিকুল ইসলাম জানান, গত ১৭ জুলাই সন্ধ্যায় সিফাত নিখোঁজ হয়। এরপর থেকে তার খোঁজ চলছিল। ১৮ জুলাই পরীক্ষা থাকলেও সে পরীক্ষায় অংশ নেয়নি। এরপর থেকেই তার নিখোঁজের বিষয়টি জানাজানি হয়। পরে সহপাঠীরা বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে বিষয়টি জানালে কর্তৃপক্ষ সিফাতের বাবাকে জানায়। ওই দিন রাতেই সিফাতের বাবা আব্দুল কুদ্দুস মোড়ল দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় একটি জিডি করেন।
জানা যায়, এদিকে মঙ্গলবার রাতে মোবাইল ফোনে সিফাত তার বাবাকে ফোন করে জানায় সে ময়মনসিংহে বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে অবস্থান করছে। সিফাত তার বাবাকে জানায়, কে বা কারা মেসে ফেরার পথে তাকে মাইক্রোবাসে তুলে নিয়ে হাত পা চোখ বেঁধে ফেলে। এরপর সে আর কিছুই বলতে পারেনা। পরে তাকে ময়মনসিংহে রাস্তার পাশে ফেলে রাখে। সেখান থেকে সে কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার চাচাতো ভাইয়ের কাছে চলে যায়। পরে তার বাবাকে ফোন করে ঘটনা জানায়।
প্রক্টর আরও জানান, সিফাতকে ফেরত আনতে সিফাতের বাবা গাইবান্ধা থেকে ময়মনসিংহে গেছেন।
দিনাজপুর কোতোয়ালি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রেদওয়ানুর রহিম জানান, এ ব্যাপারে মঙ্গলবার সিফাতের বাবা আব্দুল কুদ্দুস মোড়ল ছেলে নিখোঁজের বিষয়ে দিনাজপুর কোতয়ালী থানায় সাধারণ ডায়েরি করেন। পরে সে ময়মনসিংহ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে তার চাচাতো ভাইয়ের কাছে আছে বলে জানা গেছে।
/এসএনএইচ/