গত কয়েকদিন ধরে পদ্ধায় পানি বেড়েই চলেছে। পানি বৃদ্ধির ফলে তীব্র স্রোতের কারণে দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে ফেরি চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। এই রুটে ৬টি ফেরি আগে থেকেই বিকল হয়ে আছে।
স্রোতের কারণে চালু থাকা ফেরিগুলো পারাপারে দ্বিগুণ সময় লাগছে। ফেরির পারাপারের সংখ্যা কমে যাওয়ায় ঘাটে দুই থেকে তিন ঘণ্টা আটকে থাকতে হচ্ছে পারাপারের যাত্রীবাহী বাসগুলোকে। যানবাহনের লাইন ঘাটপ্রান্ত হতে ৩ থেকে ৪ কিলোমিটার পর্যন্ত দীর্ঘ হচ্ছে। অপেক্ষায় থেকে দুর্ভোগের শিকার হচ্ছেন রাজধানীমুখী দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের লাখো যাত্রী।
বিআইডব্লিউটিসি দৌলতদিয়া ঘাট ব্যবস্থাপক (বাণিজ্য) মো. শফিকুল ইসলাম জানান, দৌলতদিয়া-পাটুরিয়া নৌরুটে বর্তমানে ১৮টি ফেরির মধ্যে ১৩টি ছোট বড় ফেরি চলাচল করছে। বাকি ৫টি ফেরি পাটুরিয়া ঘাটেই অবস্থান করছে। নদীতে প্রচণ্ড স্রোতের কারণে ফেরিগুলো খুব ধীর গতিতে চলছে।
ফলে যানবাহন পারাপারে অতিরিক্ত সময় লাগছে। ঘাট প্রান্তে পারাপারের অপেক্ষায় যানবাহনগুলো সময়ের প্রহর গুনছে। ঘাটে এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত পারের অপেক্ষায় রয়েছে ৩ শতাধিক পণ্যবোঝাই ট্রাক ও শতাধিক যাত্রীবাহী বাস,মাইক্রোবাস,প্রাইভেট কার।
তিনি আরও জানান, পদ্মায় এখন ১০ নটিক্যাল মাইলের স্রোত বইছে। অথচ এই নৌরুটে চলাচলকারী ফেরিগুলো ৬ থেকে ৭ নটিক্যাল মাইল স্রোতের মধ্যে চলাচল উপযোগী। প্রবল স্রোতের মধ্যে চলতে গিয়ে তিনদিন আগে বিকল হয়ে পড়ে ৬টি ফেরি। ওইসব ফেরি পাটুরিয়ার ভাসমান কারখানায় মেরামতে রয়েছে। স্রোতের মাত্রা না কমলে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক হবে না।
আরও পড়তে পারেন: নোয়াখালীর সেই ইমামের হাতে ছিল ইসলামী আন্দোলনের প্রচারপত্র
/এমএসএম/