এদিকে দুয়েকদিনের মধ্যে বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও রাজবাড়ী, ফরিদপুর, শরীয়তপুর, মাদারীপুর, চাঁদপুর, বরিশাল জেলা নতুন করে বন্যা প্লাবিত হতে পারে বলে শনিবার আশঙ্কা প্রকাশ করেন দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ সচিব মো. শাহ কামাল।
তিনি এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, ২৯ জুলাই পর্যন্ত ৩ লাখ ৯৩ হাজার ৪৯৬টি পরিবারের ১৪ লাখ ৭৫ হাজার ৬১৫ জন মানুষ বন্যাকবলিত। এর মধ্যে ৯ হাজার ৩১৪টি ঘরবাড়ি সম্পূর্ণ বিধ্বস্ত এবং ১২ হাজার ৩৭১টি বাড়ি আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
এর মধ্যে কুড়িগ্রাম, জামালপুর, বগুড়া ও লালমনিরহাট জেলার বাংলা ট্রিবিউন প্রতিনিধিরা জানিয়েছেন, এ জেলাগুলোতে বন্যা পরিস্থিতি এখনও অপরিবর্তিত রয়েছে। তবে গাইবান্ধা,সিরাজগঞ্জ, মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, একের পর এক বাঁধ ভেঙে যাওয়া, প্রবল বৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা ঢলে বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
এ বিষয়ে জামালপুর প্রতিনিধি জানিয়েছেন, ইতোমধ্যে যমুনা নদীর পানি কমতে শুরু করলেও জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অপরিবর্তিত রয়েছে।তবে জেলার দুটি উপজেলায় ট্রেন ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে।
গত শুক্র ও শনিবার ৪৮ ঘণ্টায় যমুনার পানি ১৩ সেন্টিমিটার কমে এখনও বিপদসীমার ১০৮ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। পানি এখন টাঙ্গাইল জেলার দিকে ধাবিত হচ্ছে। এখনও জামালপুরের সাত উপজেলার ৫০টি ইউনিয়নের তিন লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি।
বন্যার পানিতে তলিয়ে যাওয়ায় জামালপুর থেকে মেলান্দহ, ইমলামপুর, দেওয়ানগঞ্জ উপজেলায় ট্রেন চলাচল এবং সরিষাবাড়ী উপজেলা ট্রেন ও সড়ক যোগাযোগ বন্ধ হয়ে গেছে।
বসতঘরে বন্যার পানি ঢুকে যাওয়ায় বিভিন্ন বাঁধ এবং উচু স্থানে আশ্রয় নিয়েছে বন্যা দুর্গতরা। ইতিমধ্যে জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে বন্যা দুর্গত ৫শ পরিবারকে নিরাপদ আশ্রয়ে সরিয়ে নেওয়া হয়েছে। সেই সাথে দুর্গত এলাকায় বিশুদ্ধ পানি, খাবারসহ তীব্র ত্রাণ সংকট চলছে।
নতুন করে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে বন্যার পানি ঢুকে পড়ায় জেলার ৭৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে। বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে ১৭ হাজার ৪৫ হেক্টর জমির ফসল।
এদিকে, বন্যার পানিতে রেল লাইন তলিয়ে যাওয়ায় শুক্রবার সন্ধ্যা থেকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ এবং শনিবার রাত থেকে জামালপুর-সরিষাবাড়ী-বঙ্গবন্ধু পূর্বপাড় পর্যন্ত লাইনে রেল যোগাযোগ বন্ধ রয়েছে। সরিষাবাড়ীর ভাটারা ইউনিয়নের ফুলবাড়িয়া এলাকায় বন্যার পানিতে সড়ক ভেঙে যাওয়ায় জামালপুর-সরিষাবাড়ী সড়ক যোগাযোগ এখনও বিচ্ছিন্ন রয়েছে।
এ ব্যাপারে জামালপুরের জেলা প্রশাসক মো.শাহাবুদ্দিন খান জানিয়েছেন, বন্যা দুর্গতদের জন্য শুকনো খাবার বিতরণে ৩০ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। প্রয়োজনে দুর্গতদের জন্য বরাদ্দ আরও বাড়ানো হবে।
অন্যদিকে, চিলমারী উপজেলার রানীগঞ্জে একটি সংযোগ সড়কের ৩০ মিটার ভেঙে গেছে। এর ফলে পানির স্রোতে চারটি বাড়ি ভেসে গেছে। নতুন করে তলিয়ে গেছে ৫টি গ্রাম।দুই সপ্তাহ ধরে চলা এই বন্যায় বাঁধ, উঁচুস্থান ও পাকা সড়কে আশ্রয় নেওয়া দুর্গতদের খাদ্য সংকটের পাশাপাশি নিরাপদ খাবার পানি, গবাদি পশুর খাবারসহ শৌচাগারের সংকটে দিশেহরা বানভাসী মানুষ।
এ বিষয়ে জেলার ত্রাণ ও পুনর্বাসন কর্মকর্তা মো. আব্দুল মোত্তালিব মোল্লাহ জানান, এবারের বন্যায় জেলার নয় উপজেলার সাতশ ২৮টি গ্রামে মোট এক লাখ ৫০ হাজার ৫৮৬ পরিবারের প্রায় সোয়া ৬ লাখ মানুষ ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এর মধ্যে নদীভাঙন,জলমগ্ন এবং পানিবন্দি মানুষও রয়েছেন।
জেলা ত্রাণ ও পুনর্বাসন কেন্দ্রের তথ্য মতে, বন্যায় প্রায় দেড় লক্ষাধিক কৃষকের ৭১২৩ হেক্টর ফসলি জমি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আর কাঁচা-পাকা মিলে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে, প্রায় পাঁচশ কিলোমিটার সড়ক এবং দুই শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান। বন্যার পনিতে তলিয়ে থাকায় দুই সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে, এসব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষা কর্যক্রম।
সরকারিভাবে জেলায় ৫৩টি আশ্রয়কেন্দ্র খোলা হয়েছে। এখানে আশ্রয় নিয়েছেন মাত্র ৩ হাজার ৬৮৪ জন বন্যাদুর্গত মানুষ। তবে সরকারি ত্রাণ তৎপরতা অব্যাহত থাকলেও ছয় লক্ষাধিক বানভাসীর জন্য তা অপ্রতুল এবং বেশিরভাগ বানভাসীর ভাগ্যে তা জোটেনি।
সরকারের পাশাপাশি স্বেচ্ছাসেবী সংগঠন স্বল্প পরিসরে ত্রাণ তৎপরতা শুরু করেছে।
জেলা প্রশাসক খান মো. নুরুল আমিন জানান, বন্যাদুর্গতের জন্য এ পর্যন্ত এক হাজার একশ ৭৫ মেট্রিক টন চাল ও ৩৮ লাখ টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১০৭৫ মেট্রিক টন চাল এবং ৩৪ লাখ টাকা বিতরণ করা হয়েছে। অবশিষ্ট বরাদ্দ বিতরণের কাজ চলছে।
সিরাজগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, যমুনার পানি মাত্র ৬ সেমি কমলেও সিরাজগঞ্জের সার্বিক বন্যা পরিস্থিতির আরও অবনতি হয়েছে।
প্রতিদিনই সদর, কাজিপুর, শাহজাদপুর, চৌহালী ও বেলকুচি উপজেলার নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। এছাড়া এ সব উপজেলার সাথে প্রবাহমান যমুনার পাশপাশি অভ্যন্তরীণ শাখানদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় পার্শ্ববর্তী উল্লাপাড়া ও তাড়াশ উপজেলাসহ চলনবিলেও পানি পাল্লা দিয়ে বাড়ছে।
বন্যার্ত এলাকায় দুর্গত মানুষজনের মধ্যে নিরাপদ পানি সংকট প্রকট আকারে দেখা দিয়েছে।
এদিকে, জেলায় সরকারি পর্যায়ে ত্রাণ তৎপরতা শুরু হলেও বেসরকারিভাবে কোনও এনজিও এখনও মাঠে নামেনি বলেও তথ্য পাওয়া গেছে।
স্থানীয় পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী সৈয়দ হাসান ইমাম রোববার দুপুরে জানান, গত ২৪ ঘণ্টায় পানি মাত্র ৬ সেমি কমলেও তা এখনও বিপদসীমার ৮৩ সেমি ওপরে রয়েছে। তিনি বলেন, যমুনার পানি গত কয়েকদিন ধরে বেড়ে যাওয়ায় বাঁধের পাশের ডান তীরে ঘূর্ণাবর্তের সংখ্যা বেড়েছে। আগামী আগস্ট মাসের মাঝামাঝি পর্যন্ত বন্যার প্রকোপ থাকতে পারে।
জেলা প্রশাসক মো. বিল্লাল হোসেন জানান, জেলায় গত কয়েকদিনে সাড়ে চারশ মেট্রিক টন চাল এবং ১৩ লাখ ৮০ হাজার নগদ টাকার সাহায্য দেওয়া হয়েছে। এছাড়া, রোববার জেলা সদরে বন্যার্তদের মধ্যে প্রায় এক হাজার প্যাকেট শুকনো খাবারের প্যাকেট ও অন্যান্য সামগ্রী সরবরাহ করা হয়েছে।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, মানিকগঞ্জের অভ্যন্তরীণ নদনদীর পানির অব্যাহতভাবে বৃদ্ধি পাওয়ায় জেলার সার্বিক বন্যা পরিস্থিতি অবনতি ঘটেছে। ৩০টি ইউনিয়নের ২০ হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
যমুনার নদীর পানি আরিচা পয়েন্টে বিপদসীমার ৫৭ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ইতোমধ্যে, জেলার বন্যাকবলিত এলাকার ২২৬টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ হয়ে গেছে। এছাড়া ২৬টি মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ও বন্যার কারণে বন্ধ রয়েছে।
এদিকে, ঢাকা-আরিচা মহাসড়কের উথলী-পাটুরিয়া সংযোগ রাস্তার একাংশে বন্যার পানিতে তলিয়ে গেছে। মানিকগঞ্জ সড়র বিভাগের উপ-বিভাগীয় প্রকৌশলী মো.দাউস-উল-হাসান মারুফ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পানিবৃদ্ধি অব্যাহত থাকলে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন হওয়ার আশঙ্কার কথা জানিয়েছেন তিনি।
সরকারি হিসেবে জেলায় বন্যাকবলিত মানুষের সংখ্যা প্রায় ১১ হাজার বলা হলেও বাস্তবে এর সংখ্যা দ্বিগুণের বেশি হবে বলে স্থানীয়রা জানিয়েছেন। আর যে পরিমাণ ত্রাণ দেওয়া হয়েছে,তা তুলনায় খুবই অপ্রতুল। সাতটি উপজেলার মধ্যে মধ্যে ৩০টি ইউনিয়ন বন্যাকবলিত হয়ে পড়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে। বিশেষ করে শিবালয় উপজেলার তেওতা, দৌলতপুর উপজেলার চরকাটারী,বাচামারা,বাঘুটিয়া ও জিয়নপুর ইউনিয়ন সবচেয়ে বেশি বন্যাকবলিত।
এছাড়া হরিরামপুর উপজেলার ১৩টি ইউনিয়নের মধ্যে ছয়টি ইউনিয়ন সবচেয়ে বন্যাকবলিত। এগুলো হচ্ছে- আজিমনগর,ধুলসুরা,বাল্লা,কাঞ্চনপুর, লেছড়াগঞ্জ, কৃষ্ণপুর ইউনিয়ন সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্ত।
জানা গেছে, জেলা প্রশাসক রাশিদা ফেরদৌস পাঁচশ মেট্রিক টন চাল, নগদ ২০ লাখ টাকা ও ২০০ বান্ডিল ঢেউ টিন বরাদ্দের জন্য চাহিদাপত্র পাঠিয়েছেন।
জেলা পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বিপিএম জানিয়েছেন, রবিবার থেকে বন্যাকবলিত শিবালয় উপজেলার তেওতাসহ চরাঞ্চলের মানুষসহ গবাদিপশুর নিরাপত্তা দিতে পুলিশি টহল দেওয়া শুরু হচ্ছে।
গাইবান্ধা থেকে জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন, একের পর এক বাঁধ ভেঙে যাওয়াতে বন্যা পরিস্থিতির মারাত্মক অবনতি হয়েছে।
রবিবার আলাই নদীর সদর উপজেলার চুনিয়াকান্দি এলাকায় সোনাইল বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ও শুক্রবার ব্রহ্মপুত্র নদের সিংড়িয়া এলাকায় বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ ভেঙে গেলে বন্যা পরিস্থিতি মারাত্মক আকার ধারণ করে।
এদিকে, বন্যা কবলিত চার উপজেলার প্রায় ৩ লাখ মানুষ পানিবন্দি হয়ে নিরাপদ পানি, খাদ্য ও পয়ঃনিষ্কাশন সমস্যায় মানবেতর জীবনযাপন করছেন।
রবিবারও ঘাঘট নদীর পানি বিপদসীমার ৬৪ সেমি এবং ব্রহ্মপুত্র ও যমুনার পানি ৫৮ সেমি উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। বন্যার কারণে ২৫৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে।
বন্যার পানিতে ডুবে এপর্যন্ত এক শিশুসহ চারজনের মৃত্যু হয়েছে। ব্যাপক এলাকার ফসল পানিতে তলিয়ে গেছে। সড়ক ও সেতু ভেঙে ওইসব এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থা একেবারেও ভেঙে পড়েছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ পরিচালক কৃষিবিদ আ কা ম রুহুল আমিন জানান, বন্যায় তিন হাজার চারশ ৪০হেক্টর জমির আউশ রোপা আমন, আমন বীজতলা ও শাকসবজি বন্যার পানিতে তলিয়ে রয়েছে।
সিভিল সার্জন ডা. নির্মলেন্দু চৌধুরী জানিয়েছেন, গাইবান্ধার বন্যাকবলিত এলাকায় ১২০টি মেডিকেল টিম স্বাস্থ্যসেবায় কর্মরত রয়েছে।
বগুড়া থেকে জেলা প্রতিনিধি জানিয়েছেন,বগুড়ার সারিয়াকান্দি উপজেলায় যমুনা নদীতে পানি কমতে শুরু করায় বন্যা পরিস্থিতির কিছুটা উন্নতি হলেও মানুষের দুর্ভোগ বেড়েছে।
ক্ষতিগ্রস্ত ২২ হাজার পরিবারের মধ্যে রোববার বিকেল পর্যন্ত মাত্র এক হাজার ২০০ পরিবারের মধ্যে ত্রাণ বিতরণ করা সম্ভব হয়েছে। দুর্গত এলাকাগুলোতে এখনও নিরাপদ পানির অভাব ও গবাদিপশুর খাদ্যের সংকট রয়েছে। বন্যার্তরা ত্রাণের আশায় পথ চেয়ে রয়েছেন।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্র জানায়, বন্যায় এক হাজার ৭২০ হেক্টর জমির পাট, এক হাজার ৪৭০ হেক্টর আউশ ধান, ২৩ হেক্টর শাকসবজি ও ১০৫ হেক্টর জমির বীজতলা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত কৃষকের সংখ্যা এক হাজার ৭১২ জন।
জানা গেছে, ২২ হাজার ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের জন্য ইতোমধ্যে ১৫৫ মেট্রিক টন চাল বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সংসদ সদস্য রোববার উপজেলা সদরের দীঘলকান্দি, কর্ণিবাড়ির মথুরাপাড়া, ধলিরকান্দি, কুতুবপুর, চন্দানবাইশা, কামালপুর, রৌহদহ এলাকার ১ হাজার ২০০ পরিবারের মধ্যে ২০ কেজি করে চাল বিতরণ করেছেন।জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল অফিস জানিয়েছে, বন্যাকবলিত এলাকায় ৫০ হাজার পানি বিশুদ্ধকরণ ট্যাবলেট সরবরাহ করা হয়েছে।
অন্যদিকে, ধুনট উপজেলার গোসাইবাড়ি ইউনিয়নের টুনিয়াপাড়া ও ভাণ্ডারবাড়ি ইউনিয়নের শহরাবাড়ি, শিমুলবাড়ি, বানিয়াজান, কৈয়াগাড়ি, মাধবডাঙ্গা, ভান্ডারবাড়ি, ভুতমারী, বৈশাখির চর, রাধানগর চর, রঘুনাথপুর ও চুনিয়াবাড়ি গ্রামের অন্তত সাড়ে ৩ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
শতাধিক হেক্টর জমিতে থাকা ধান, পাট, মরিচসহ মৌসুমী ফসল পানির নিচে রয়েছে।
বগুড়া-৫ আসনের সদস্য হাবিবর রহমান রোববার বিকেলে বন্যাদুর্গত বৈশাখির চরে ৩০০ পরিবারের মধ্যে ৫ কেজি, এক কেজি ডাল, এক কেজি চিনি, এক কেজি চিড়া, এক কেজি সয়াবিন তেল, ১০টি মোমবাতি, এক ডজন দিয়াশলাই ও এক কেজি করে মুড়ি বিতরণ করেছেন।
অারও পড়তে পারেন: বিচারপতিসহ ৯ জনকে হত্যার হুমকি!
এবি/আপ -এমএসএম/