হানিফ বলেন, গুলশান ও কল্যাণপুরের নিহত জঙ্গিদের লাশ তাদের স্বজনরাই এখনও নিতে আসেন নাই। প্রধানমন্ত্রীর আহ্বানে সাড়া দিয়ে জঙ্গিদের বিরুদ্ধে এখন গোটা দেশের মানুষ ঐক্যবদ্ধ। সুতরাং আর কারও সঙ্গে ঐক্যের প্রয়োজন নেই। আর কারও সাথে কথা বলার প্রয়োজন নেই। আমরা দেশবাসীকে সঙ্গে নিয়ে জঙ্গিবাদের বিরুদ্ধে জয়লাভ করবো।
কুড়িগ্রামে স্বল্প ত্রাণ বিতরণ এবং বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসন প্রসঙ্গে হানিফ বলেন, আমি প্রধানমন্ত্রীর নির্দেশে কুড়িগ্রাম এসেছি, এখানকার মানুষের ক্ষয়-ক্ষতি পর্যবেক্ষণ করতে। আমরা দ্রুত তালিকা প্রস্তুত করে সকলকে সহায়তা করার ব্যাপারে ব্যবস্থা নেব।
প্রসঙ্গত, গত দুই সপ্তাহ ধরে কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলায় প্রায় ৬ লক্ষাধিক মানুষ বন্যা কবলিত হয়ে পড়েছে। প্রধামন্ত্রী শেখ হাসিনার নির্দেশে দলীয়ভাবে বন্যাদুর্গতদের পাশে দাঁড়াতেই কুড়িগ্রামে আসেন আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদকসহ কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দ।
ত্রাণ বিতরণের সময় আরও উপস্থিত ছিলেন আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক খালিদ মাহমুদ চৌধুরী এমপি, দলের তথ্য ও গবেষণা সম্পাদক অ্যাডভোকেট আফজাল হোসেন, ত্রাণ ও সমাজ কল্যাণ সম্পাদক মিসেস ফরিদুন্নাহার লাইলী, বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় সভাপতি সাইফুর রহমান সোহাগ, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারণ সম্পাদক জাফর আলীসহ জেলা ও উপজেলার নেতৃবৃন্দ।
এপিএইচ/
আরও পড়ুন: