বন্যার প্রভাবে মিল্কভিটায় কমেছে দুধের সরবরাহ

সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়িতে মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহ করছেন খামারীরা

সিরাজগঞ্জের বাঘাবাড়ির মিল্কভিটা ইউনিটে বর্তমানে দুধের সরবরাহ হ্রাস পেয়েছে। বন্যার কারণে বাঘাবাড়ি দুগ্ধাঞ্চলে তৃণভূমি ডুবে যাওয়ায় দুগ্ধবতী গাভিদের বর্তমানে খৈল, চিটা-গুড়সহ দানাদার খাবার খাওয়াতে হচ্ছে। যেকারণে দুধের উৎপাদন প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে। দুধের উৎপাদন কমে যাওয়ায় খামারীরা মিল্কভিটায় দুধ সরবরাহের পরিমাণও কমিয়ে দিয়েছে বলে জানা যায়।

এদিকে, ক’বছর থেকে দুধের উৎপাদন এ অঞ্চলে বেড়ে যাওয়ায়, মিল্কভিটা গত বছর ধরে খামারীদের কাছ থেকে কোটা ভিত্তিতে দুধ সংগ্রহ করছে। কোটা পূরণ হওয়া তো দূরের কথা,এখন মিল্কভিটার চাহিদাই পূরণ করতে পারছেন না খামারীরা। বন্যা দীর্ঘ হলে দুধশিল্পে বিপর্যয় দেখা দিতে পারে। বাঘাবাড়ির মিল্কভিটা ইউনিটে মঙ্গলবার সরেজমিনে গিয়ে এসব তথ্য পাওয়া যায়।

বাঘাবাড়ি ঘাট দুগ্ধ সমিতি বিভাগের উপ-ব্যবস্থাপক ডা.নজরুল ইসলাম জানান, খামারীদের জন্য ১ লাখ ২৮/৩০ হাজার লিটার কোটা থাকলেও, বর্তমানে তারা ১ লাখ ৪/৫ হাজার লিটার দুধ দিচ্ছেন। গবাদি পশু উন্নয়ন ও প্রশিক্ষণ শাখার উপ-মহাব্যাবস্থাপক সাখাওয়াত হোসেন বলেন, শীতকালে বাথানের আশেপাশে তৃণভূমি থাকায় দুধের উৎপাদন অনেকটা বেড়ে যায়। বন্যায় তৃণভূমি ডুবে যাওয়ায় খামারে আবদ্ধ গবাদি পশু লালন-পালন এবং দানাদার খাবার খাওয়ায় দুধের উৎপাদন কমতে পারে।

তবে বাঘাবাড়ি ঘাট দুগ্ধ কারখানার উপ-মহাব্যবস্থাপক (অতিরিক্ত দায়িত্ব) ইদ্রিস আলীর দাবি, বন্যার কারণে দুধের কোনও প্রভাব পড়েনি। সরবরাহ কম হলেও সমস্যা নেই। চাহিদা অনুযায়ী ঢাকায় দুধ সংগ্রহ করতে পারছি। এতে কোনও অসুবিধা হচ্ছে না।

এপিএইচ/

আরও পড়ুন:

বিদ্যুৎকেন্দ্রের বিরোধিতা নয়, ইস্যু এখন ‘বাঁচাও সুন্দরবন’!