খুলনায় সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনে পুলিশের বাধাপুলিশের বাধার মুখে খুলনা মহানগরীর শিববাড়ি মোড়ে রামপাল বিদ্যুৎ কেন্দ্রবিরোধী আন্দোলনে পুলিশের বিরুদ্ধে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। বাধা পেয়ে ‘কয়লা রাজার দেশে’ পথনাটকটি শিক্ষার্থীরা মাইকছাড়াই মঞ্চস্থ করে।
তবে পুলিশের দাবি, রামপালবিরোধী আন্দোলনের কারণে নয়, প্রশাসনের অনুমতি ছাড়াই এ কর্মসূচি আয়োজনের কারণে তা বন্ধ করতে বলা হয়। কিন্তু শিক্ষার্থীরা সংক্ষিপ্ত পরিসরে তা পালন করে।
খুলনায় সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনে পুলিশের বাধাআন্দোলনে নেতৃত্বদানকারী উশিন ফাতেমা বলেন, জাতীয় সম্পদ রক্ষার দাবিতে চলমান আন্দোলন পুলিশ পদে পদে বাধা দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় শুক্রবার বিকালেও শিববাড়ির আন্দোলনে পুলিশ বাধা দেয়। তরুণদের দেশপ্রেম আন্দোলনে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর এ ধরণের বাধা ন্যাক্কারজনক। পুলিশের বাধা উপেক্ষা করে শিক্ষার্থীরা মাইকছাড়াই আন্দোলন কর্মসূচি অব্যহত রাখে।
মহানগরীর সোনাডাঙ্গা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (তদন্ত) মো. হুমায়ুন কবীর বলেন, প্রকাশ্যে বা ঘরোয়া পরিবেশে সভা-সমাবেশের জন্য কেএমপি থেকে অনুমোদন নেওয়া প্রয়োজন। কিন্তু শিক্ষার্থীরা শুক্রবার বিকালের কর্মসূচির জন্য পুলিশের কাছ থেকে কোনও অনুমতি নেননি। আগে থেকে অনুমোদন না থাকাই কর্মসূচি বন্ধ করতে বলা হয়। পরে তারা মাইক ছাড়াই কর্মসূচি শেষ করে। এ সময় পুলিশ তাদের নিরাপত্তার জন্য সেখানে উপস্থিত ছিল।
খুলনায় সুন্দরবন রক্ষা আন্দোলনে পুলিশের বাধাবিদ্যুৎ কেন্দ্র চাই, তবে সুন্দরবনের কাছে নয়,’ শীর্ষক অব্যাহত আন্দোলনের অংশ হিসেবে শুক্রবার শিববাড়ী মোড়ে কর্মসূচি পালন করে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা। কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন- নাগরিক নেতা অ্যাডভোকেট বাবুল হাওলাদার, নারী নেত্রী সিলভী হারুন, ডা. নাসির উদ্দীন, এস এম দেলোয়ার হোসেন, বিপ্লব, প্রকৌশলী মাহবুব সুমন, কাজল ইসলাম, অবান্তি কুন্ডু, নাহিদ হোসেন, ইকবাল হোসেন, মিলন সেলিম খান, এম এ কাশেম প্রমুখ।
এদিকে, সুন্দরবন এলাকা থেকে রামপাল বিদ্যুৎকেন্দ্র সরিয়ে নেওযার দাবিতে আগামী ২৩ আগস্ট সন্ধ্যা ৬টায় নগরীর পিটিআই মোড় থেকে মশাল মিছিল বের করার কর্মসূচি ঘোষণা করেছে শিক্ষার্থীরা।
/এসএনএইচ/