আজ রবিবার বিকালে জেলা খাদ্য বিভাগের কর্মকর্তারা বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
নওগাঁ জেলা ভারপ্রাপ্ত খাদ্য নিয়ন্ত্রক মোহাজের হোসেন জানান, আজ রবিবার সকালে নির্দেশনা পাওয়ার পর মিল মালিক নেতৃবৃন্দদের নিয়ে জেলা খাদ্য শস্য ক্রয় কমিটির একটি সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। সভায় নতুন বরাদ্দ মিলারদের মধ্যে বিভাজনের সিদ্ধান্ত হয়। খাদ্য মন্ত্রণালয়ের পাঠানো একটি বার্তার মাধ্যমে অতিরিক্ত বরাদ্দ ও নতুন করে সময় বাড়ানোর একটি নির্দেশনা পাওয়া গেছে।
এতে সারাদেশ থেকে আড়াই লাখ টন অতিরিক্ত বরাদ্দের সঙ্গে নওগাঁর ১১টি উপজেলার মিলারদের কাছ থেকে নতুন করে আরও ১৪ হাজার ৪১ টন চাল সংগ্রহের নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। আর নতুন বরাদ্দের জন্য চুক্তি করার সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে ২৪ আগস্ট পর্যন্ত।
এদিকে প্রথম ধাপের বরাদ্দে জেলায় ২০ হাজার ৯৩২ টন চাল সরবরাহের জন্য ১২শ. মিলারের সঙ্গে চুক্তি করে স্থানীয় খাদ্যবিভাগ। কিন্তু সেই কার্যক্রম চলছে ধীরগতিতে। ৫ আগস্ট নির্ধারিত সময়ে শুরু হলেও গত ১৮ দিনে চাল সংগ্রহ হয়েছে মাত্র ৮ হাজার টন। সিংহভাগ চাল এখনও সরবরাহ করতে পারেনি মিলাররা।
অন্যদিকে প্রথম ধাপের বরাদ্দ ও সময় কম পাওয়ায় কার্যক্রমের শুরু থেকেই মিলাররা অসেন্তাষ প্রকাশ করে আসছিলেন। অতিরিক্ত বরাদ্দ পেতে ও সময় পুন:নির্ধারণের খাদ্য মন্ত্রণালয়ে আবেদন করেন তারা। আবেদনের প্রেক্ষিতে মন্ত্রণালয় বিশেষ বিবেচনায় অতিরিক্ত বরাদ্দ ও নতুন করে সময়সীমা নির্ধারণের সিদ্ধান্ত নেয়। এই সিদ্ধান্তে খুশি মিলাররা।
এ বিষয়ে নওগাঁ জেলা চাল কল মালিক গ্রুপের সভাপতি আলহাজ মো: রফিকুল ইসলাম জানান, সময় বড়ানো খুব জরুরি ছিল। এতে আউসের নতুন ধান থেকে চাল করে সময় মতো সরকারি গুদামে সরবরাহের সুযোগ পাওয়া যাবে।
/এমএসএম/