বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানি লি: (বিআইএফপিসিএল) এর ব্যবস্থাপনায় সোমবার দুপুরে বাগেরহাট জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে সেন্টার ফর এনভায়রনমেন্টাল অ্যান্ড জিওগ্রাফিক ইনফরমেশন সার্ভিসেস (সিইজিআইএস) এই গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশে করে।
সমীক্ষা রির্পোটে এই তাপবিদ্যুৎ প্রকল্পের কয়লা পরিবহনে ওয়ার্ল্ড হ্যারিটেজ সুন্দরবনের জীববৈচিত্র্যের ক্ষতি কমিয়ে আনতে প্রস্তাবিত তিনটি নৌপথের মধ্যে মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলকে অগ্রাধিকার দিয়ে ক্ষতি প্রতিরোধে ১৩টি নির্দেশনা অবহিত করা হয়।
বাগেরহাট জেলা প্রশাসক মো. জাহাঙ্গীর আলমের সভাপতিত্বে অবহিতকরণ সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির সভাপতি অ্যাডভোকেট মীর শওকাত আলী বাদশা এমপি। সাংবাদিকসহ আমন্ত্রিত ব্যক্তিবর্গের প্রশ্নের উত্তর দেন বাংলাদেশ-ভারত মৈত্রী পাওয়ার কোম্পানি লিমিটেডের ম্যানেজিং ডিরেক্টর উজ্জল ভট্টাচার্য্য, পরিবেশ বিশেষজ্ঞ মোক্তারুজ্জামান, বিদ্যুৎ বিশেষজ্ঞ জালাল আহমেদ প্রমুখ।
সমীক্ষা রিপোর্টে নৌপথে কয়লা পরিবহনে সুন্দরবনের ডলফিনের ক্ষতি হওয়ার পাশাপাশি জীববৈচিত্র্যের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে উল্লেখ করে সুন্দরবনের মধ্য দিয়ে কয়লা পরিবহনের জন্য প্রস্তাবিত তিনটি নৌপথের মধ্যে মংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলকে অগ্রাধিকার দিয়ে ক্ষতি প্রতিরোধে ১৩টি নির্দেশনা তুলে ধরা হয়।
নৌপথে কয়লা পরিবহনে পরিবেশগত ও সামাজিক সমীক্ষা (ইআইএ) রিপোর্টে প্রস্তাবিত নৌপথ তিনটি হলো- পশুর নৌপথ : ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-হাড়বাড়িয়া-মংলা হয়ে রামপাল। শেবসা নৌপথ : ফেয়ারওয়ে থেকে হিরণপয়েন্ট-আকরাম পয়েন্ট-চুনকুরি-চালনা হয়ে বিদ্যুৎ কেন্দ্র। মংলা-ঘাষিয়াখালী নৌপথ : ফেয়ারওয়ে থেকে বলেশ্বর- ঘাষিয়াখালী-মংলা-পশুর-মংলা বন্দর হয়ে রামপাল তাপ বিদ্যুৎ কেন্দ্র।
/এমএসএম/