ঘের মালিকরা তাদের ঘেরের আইলে (উচুপাড়) জাল দিয়ে মাছ রক্ষার চেষ্টা করা হলেও পুঁজিটুকু ঠেকাতে পারেননি তারা। ভেসে গেছে গলদা, বাগদা চিংড়ি, রুই, কাতলা, মৃগেলসহ নানা প্রজাতির মাছ।
শুক্রবার দুপুরে সরেজমিনে চিতলমারী উপজেলার বারাসিরায় বিলে গিয়ে দেখা গেছে, আগে থেকে পানি কিছুটা কমলেও এখনও ঘেরের আইল জাগেনি। সব ঘের যেন বিশাল সমুদ্রে পরিণত হয়েছে। অনেকে জাল দিয়ে ঘেরের পাড় রক্ষা করার ব্যর্থ চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয়েছেন। সহায় সম্বলহারা ঘের মালিকরা সরকারের কাছে আর্থিক সহযোগিতার দাবি জানিয়েছেন।
তিনি আরও বলেন, ‘এখন আমি সর্বশান্ত হয়ে পড়েছি। তাই আবারও ব্যবসা দাঁড় করাতে সরকারি সাহায্য ও ব্যাংক থেকে সহজ শর্তে পুনঃরায় ঋণ দেওয়ার জন্য সরকারের কাছে দাবি জানাই।’
একই এলাকার ঘের ব্যবসায়ী রাজিব শেখ রাজন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিভিন্ন সমিতি থেকে ঋণ নিয়ে বারাশিয়া বিলে ২টি মাছের ঘের করেছিলেন। মাছও ভাল হয়েছিল। কিন্তু পানি বেড়ে সব মাছের ঘের তলিয়ে মাছ বের হয়ে গেছে। এখন তিনি দেনার দায়ে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন।’
একই কথা জানালেন ঘের ব্যবসায়ী ইসরাফিল শেখ ওজিয়ার মোল্লাসহ অনেক মাছ চাষী।
চিতলমারী উপজেলা জেলা মৎস্য কর্মকর্তা গৌতম মণ্ডল বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দেশের মধ্যে গলদা চিংড়ি ও সাদা মাছ উৎপাদনে বাগেরহাট জেলার চিতলমারী উপজেলা অন্যতম। এই উপজেলায় সাড়ে সতের হাজার রেজিস্টার্ডসহ প্রায় ২৫ হাজার মাছের ঘের রয়েছে। টানা বর্ষণে শতভাগ মাছের ঘের ডুবে মৎস্য চাষীদের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।’
/এসএনএইচ/