অন্যদিকে কারাগারে আটক মাসুদ রানাসহ ৩ জঙ্গির জামিনের আবেদনও নামঞ্জুর করেছেন বিচারক। আজ মামলার ধার্য তারিখ থাকায় ৩ জেএমবিকে কারাগার থেকে নিয়ে আসা হলেও তাদের আদালতে হাজির করা হয়নি।
লিখিত আবেদনে বাদী বলেন, তদন্তকারী পুলিশ কর্মকর্তা মামলার বাদী হিসেবে তার ও সাক্ষীদের কারো সঙ্গেই আলোচনা না করেই এক তরফা চার্জশিট দাখিল করেছেন। চার্জশিটে অনেককেই আসামি হিসেবে দেখানো হয়নি। ফলে পুলিশের দাখিল করা চার্জশিট তারা প্রত্যাখ্যান করেছেন। সেই সঙ্গে পুনতদন্তের জন্য নারাজি আবেদন করবেন।
বাদী অভিযোগ করেন, তিনি মামলার চার্জশিট ও ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে দেওয়া ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দির জাবেদা নকল পাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। কিন্তু এখনও জাবেদা নকল দেওয়া হয়নি তাকে। নকল না পাওয়ায় তারা নারাজির আবেদন করতে পারছেন না। আদালত আগামী ২২ সেপ্টেম্বর মামলার পরবর্তী শুনানির দিন ধার্য করেন।
গত বছর ১০ নভেম্বর রাতে বাজার থেকে বাসায় ফেরার পথে সন্ত্রাসীরা মাজারের খাদেম রহমত আলীকে গলাকেটে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এ ঘটনায় নিহতের ছেলে শফিকুল ইসলাম বাদী হয়ে কাউনিয়া থানায় হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এ ঘটনায় পুলিশ জেএমবি সদস্য মাসুদ রানা, এছাহাক, লিটন মিয়াসহ ৪ জনকে গ্রেফতার করে। তারা ম্যাজিস্ট্রেটের কাছে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তি দিয়ে খাদেম হত্যার কথা স্বীকার করে। পরে পুলিশ ১২ জেএমবির জঙ্গির নামে আদালতে চার্জশিট জমা দেয়।
শুনানি শেষে বাদী জানান, পুলিশ কি তদন্ত করেছে তা তারা জানেন না। তাদেরকে জিজ্ঞাসাবাদ পর্যন্ত করেননি তদন্ত কর্মকর্তা। অথচ আইনের বিধান হচ্ছে মামলার তদন্তের অগ্রগতিসহ সার্বিক বিষয় বাদীকে অবশ্যই জানাতে হবে। তিনি বলেন, আমার বাবাকে গলাকেটে হত্যা করা হয়েছে। আমরা ন্যায় বিচার চাই।
/এমএসএম/