নারায়ণগঞ্জ জেলা আদালতের পিপি (পাবলিক প্রসিকিউটর) অ্যাডভোকেট ওয়াজেদ আলী খোকন জানান, মামলার তদন্ত কর্মকর্তার জবানবন্দি অনেক দীর্ঘ ছিল। এর আগে গত ২২ ও ২৯ আগস্টের পর বৃহস্পতিবার তৃতীয় দিনের মত রেকর্ড করা হলো এই জবানবন্দি। সাত খুনের ঘটনার পর আদালতে দায়ের করা চার্জশিটের আলোকে তদন্তভার পেয়ে কিভাবে তদন্ত করেছেন, কাকে কাকে কখন কোথায় থেকে গ্রেফতার, আটক, জিজ্ঞাসাবাদ করেছেন, প্রত্যক্ষদর্শীদের সাক্ষ্য নেওয়া থেকে শুরু করে আসামিদের স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দিসহ তদন্তের আদ্যোপান্ত আদালতে জানান তদন্ত কর্মকর্তা।
জানা গেছে, সাত খুনের ঘটনায় দু’টি মামলা হয়। একটি মামলার বাদী নিহত আইনজীবী চন্দন সরকারের মেয়ের জামাতা বিজয় কুমার পাল ও অপরটির বাদী নিহত নজরুল ইসলামের স্ত্রী সেলিনা ইসলাম বিউটি। দু’টি মামলাতেই অভিন্ন সাক্ষী হলো ১২৭ জন করে। এখন পর্যন্ত সাত খুনের দুই মামলায় ১০৬ জনের সাক্ষ্য গ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে।
সাত খুনের ঘটনায় তৃতীয় তদন্ত কর্মকর্তা হিসেবে আদালতে চার্জশিট দাখিল করেন মামুনুর রশিদ মণ্ডল। তিনি এখন জেলা পুলিশের বিশেষ শাখার পরিদর্শক। চার্জশট দাখিলের সময় তিনি জেলা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ছিলেন।
/এমএসএম/