এ ঘটনায় দহগ্রাম বিওপির নায়েব সুবেদার আবু তাহের বাদী হয়ে থানায় একটি মামলা দায়ের করেছেন।
দহগ্রাম বিজিবি ক্যাম্পের নায়েব সুবেদার আবু তাহের বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘দালালের মাধ্যমে দহগ্রাম ডাঙাপাড়া সীমান্তের আর্ন্তজাতিক ৭ নম্বর মেইন পিলারের ১৩ নম্বর সাব পিলার এলাকার দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে অনুপ্রবেশের সময় ৭ জনকে আটক করা হয়। তাদের বিরুদ্ধে পাটগ্রাম থানায় মামলা দায়ের করা হয়েছে।’
আটক ব্যক্তিরা হলেন- জেলার হাতীবান্ধা উপজেলার নওদাবাস ইউনিয়নের গেন্দুকুড়ি এলাকার মৃত পঞ্চরাম বর্মণের স্ত্রী কুসুম বালা (৫০), মৃত পঞ্চরাম বর্মণের ছেলে মন্টু চন্দ্র বর্মণ (৪০), গ্রীণ চন্দ্র বর্মণের ছেলে গজন চন্দ্র বর্মণ (৪৫), গজন চন্দ্র বর্মণের স্ত্রী ভারতী রানী বর্মণ (৩০), গজন চন্দ্র বর্মণের মেয়ে সুনিতী রানী বর্মণ (১৮), ছেলে হরি মাদম বর্মণ (১২) ও অচিন্তা বর্মণ (৮)।
পাটগ্রাম থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মাহফুজ আলম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘বিজিবির হাতে নারী-শিশুসহ আটক ৭ জন থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে। তাদের শনিবার আদালতে সোপর্দ করা হবে। বর্তমানে থানা পুলিশ হেফাজতে রয়েছে।’
তিনি আরও জানান, ‘বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকায় শুক্রবার সন্ধ্যায় একটি বাড়ীতে তল্লাশি চালিয়ে ভারত থেকে চোরাইপথে আমদানি করা শাড়ী, থ্রিপিচ, সিডি, নারীদের বিভিন্ন ধরনের গহনাসহ ৮টি লাগেজ ও ৫ ব্যক্তিকে আটক করা হয়েছে। তাদের বিরুদ্ধে চোরাচালন প্রতিরোধ বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা করা হবে।’
আটক ব্যক্তিরা হলেন- পাবনার সুজানগর এলাকার আব্দুর রহমানের ছেলে রাশেদুল হক (৩৫), কক্সবাজারের চকরিয়া উপজেলার দলিলুর রহমানের ছেলে কফিল উদ্দিন (৫৫), বাগেরহাটের শরনখোলা উপজেলার আবুল কালাম আকন্দের ছেলে মাহফুজুর রহমান মামুন(৩১), লালমনিরহাটের পাটগ্রাম উপজেলার বুড়িমারী স্থলবন্দর এলাকার খলিলের ছেলে খায়রুল ইসলাম বাঁধন (২৮) ও একই এলাকার আব্দুল আজিজের ছেলে মোহাম্মদ বাবু (২৬)।
/এসএনএইচ/