জানা গেছে, এসএম নজরুল ইসলাম মসজিদের ঈমাম হাফেজ মাওলানা মো. মঈনুল ইসলামকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করাসহ খাদেমদের দিয়ে তার ব্যাক্তিগত ও পারিবারিক কাজ করতে বাধ্য করান। মসজিদের পাঠাগার দখল করে তিনি খানকা খুলে বসেছেন। এসব ব্যাপারে তার কাছে জানতে চাইলে মুসুল্লিদের সঙ্গেও খারাপ আচরণ করেন তিনি। জুম্মার নামাজের বয়ান চলাকালে ইমামকে উদ্দেশ্য করে আপত্তিকর মন্তব্য করলে উপস্থিত মুসুল্লিরা তা সমস্বরে প্রতিবাদ করে তাকে মসজিদ থেকে বের করে দেওয়ার চেষ্টা করেন। একপর্যায়ে পুলিশ মসজিদের মধ্যে প্রবেশ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
সদরঘাট মসজিদের ইমাম হাফেজ মাওলানা মো. মঈনুল ইসলাম বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচিত কমিটির মাধ্যমে সাবেক জেলা প্রশাসক মজিবুর রহমান আমাকে নিয়োগ দিয়ে গেছেন। কিন্তু বর্তমান মসজিদ কমিটির সাধারণ সম্পাদক বলছেন আমার নিয়োগ বৈধ নয়। ওনার আজ্ঞাবহ হয়ে কাজ না করায় আমিসহ মসজিদের খাদেমদের ওপর তাণ্ডব শুরু করেছেন। তিনি মসজিদের টাকা ব্যয় করে নিজের আরাম আয়েশের জন্য ব্যাক্তিগত রুম ও বাথরুম নির্মাণ করেছেন কিন্তু কেউ প্রতিবাদ করলেই তার ওপর শুরু হয় তাণ্ডব।’
এদিকে অভিযোগ অস্বীকার করে মসজিদ কমিটি ও জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক এসএম নজরুল ইসলাম বলেন, ‘আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করার জন্য একটি মহল পরিকল্পিতভাবে আমার বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র করছে।’
ইমামকে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমি কেন ইমামকে গালিগালাজ করবো। আপনি ইমামকে জিজ্ঞেস করেন, তিনি কি বলেন।’
/এসএনএইচ/