আজ শনিবার নোয়াখালীর সোনাইমুড়ী উপজেলার জয়াগে গান্ধী মেমোরিয়াল ইনস্টিটিউটের নতুন ভবনের উদ্বোধন এবং গান্ধী মেমোরিয়াল সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে নির্মিতব্য ভবনের ভিত্তিপ্রস্তর স্থাপন অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য রাখেন তিনি।
সড়ক পরিবহন ও সেতুমন্ত্রী বলেন, ১৯৭১ সালে বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে হাজার হাজার ভারতীয় সৈন্যের রক্ত মিশে আছে ৩০ লাখ শহীদের রক্তের সঙ্গে। আমরা ভারতের এ মহানুভবতার কথা কখনও ভুলব না। আমাদের বন্ধু প্রতিবেশী দেশ ভারতের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক রেখে আগামীতে অমীমাংসিত সব সমস্যার সমাধান করতে হবে। বৈরিতা করে কখনও সমস্যা সমাধান সম্ভব হয় না। অভিন্ন নদীর পানি বণ্টন সমস্যাও আলোচনা করে সমাধান করা হবে।
মন্ত্রী আরও বলেন, ৪১ বছরের পড়ে থাকা সীমান্ত চুক্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হসিনার আহ্বানে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির আন্তরিকতায় সমাধান হয়েছে।
বিএনপির উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, ভারতভীতি বা ভারত প্রীতি ক্ষমতার জন্য কোনও বিষয় নয়। বাংলাদেশে কোন দলকে ক্ষমতায় বসাবে সেটা এই দেশের জনগণ সিদ্ধান্ত নেবে।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশে নিযুক্ত ভারতীয় রাষ্ট্রদূত হর্ষ বর্ধন শ্রিংলা ও ডেপুটি হাইকমিশনার সোমনাথ হালদার।
গান্ধী আশ্রম ট্রাস্টের সভাপতি বিশিষ্ট অর্থনীতিবিদ ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্যের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন গান্ধী আশ্রমের সচিব ঝর্না ধারা চৌধুরী। এছাড়াও অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন ট্রাস্টী ও আওয়ামী লীগ কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক মেজবাহ উদ্দিন সিরাজ, জেলা প্রশাসক বদরে মুনীর ফেরদৗস প্রমুখ। অনুষ্ঠান পরিচালনা করেন আশ্রমের সমন্বয়কারী রাহা নবকুমার।
ভারতের রাষ্ট্রদূত বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বলেন, বাংলাদেশ এবং গান্ধী আশ্রম সকল ভারতীয়ের কাছে পরিচিত। মহাত্মা গান্ধী শান্তি ও বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক স্থাপনের ব্যাপারে বড় অবদান রেখে গেছেন। বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধে অংশ্রহণ করতে পেরে আমরা গর্বিত। তিনি গান্ধী আশ্রমের উন্নয়নের জন্য ১০ লাখ টাকার চেক প্রদান করেন।
/এমএসএম/