বগুড়ার শেরপুরে পুলিশের সঙ্গে ‘বন্দুকযুদ্ধে’ নিহত জঙ্গি আবু ইব্রাহিম ওরফে তারেক ওরফে রিপনের মরদেহ তার স্বজনেরা
গত ২৯ আগস্ট রিপন নিহত হওয়ার পর ওই দিনই বিকেলে রাজশাহী মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের একটি দল জিজ্ঞাসাবাদের জন্য স্বজনদের নিয়ে যায়।ওই সময় তারা পুলিশকে লাশ না নেওয়ার কথা জানান। পরদিন সাংবাদিকদেরও একই কথা বলেন রিপনের বোন সামিনা ফেরদৌস তিন্না।
এ ব্যাপারে রিপনের বোন জানান, শুক্রবার রাত ১১টার দিকে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজের মর্গ থেকে রিপনের মরদেহ তার বাড়িতেই নিয়ে আসা হয়। এরপর রাত সাড়ে ১২টার দিকে নগরীর হেতেমখাঁ কবরস্থানে তাকে দাফন করা হয়।
লাশ না নেওয়ার ঘোষণা দিয়েও পরবর্তীতে লাশ গ্রহণের কারণ জানতে চাইলে সামিনা ফেরদৌস বলেন, আসলে আমিই তো আর একা সব সিদ্ধান্ত নিতে পারি না। আমার মা আর মামা এসে আমাকে বুঝিয়েছেন। পরে তারা লাশ এনেছেন। যে দোষ করেছিল, সে তো তার শাস্তি পেয়েই গেছে। তারা আর লাশকে শাস্তি দিতে চাননি।
জানা গেছে, রিপনের মা ঝর্ণা বেগম ও মামা খন্দকার সালেহ সিদ্দিক বগুড়া থেকে লাশ নিয়ে আসেন। রাজশাহী মহানগরীর দরগাপাড়া এলাকায় বোন সামিনা ফেরদৌসের বাড়িতে রিপনের লাশ নিয়ে আসার পর এলাকার তেমন কোনও লোকজন সেখানে যাননি। তড়িঘড়ি করে কিছুক্ষণ পরই রিপনের মরদেহ দাফন করা হয়। নিকটাত্মীয় ছাড়া এলাকার কোন মানুষও দাফনকার্যে অংশ নেননি।
গত ২৯ আগস্ট ভোররাতে বগুড়ার শেরপুরে বিশালপুরে পুলিশের সঙ্গে বন্দুকযুদ্ধে রিপন ও বদর মামা ওরফে খালিদ মামা নামে আরেক জঙ্গি নিহত হন।
এমএসএম/