জেলা প্রশাসনের ম্যাজিস্ট্রেট মো. আতিকুল ইসলাম জানান, শনিবার বিকালে রূপসা ফেরিঘাট এলাকার শাফায়েত চৌধুরী ও নূর ইসলামের পরিচালনাধীন মেসার্স চৌধুরী ফিস ট্রেডার্স, মো. ইব্রাহিমের মালিকানাধীন মেসার্স আপ্সরি জ্যোতি ফিস ও কালু ফিস- এ অভিযান চালিয়ে দুই হাজার ৫০০ কেজি বাগদা ও গলদা চিংড়ি এবং জেলি, সিরিঞ্জ, জেলি জালানো গ্যাসের চুলা ও পাতিলসহ পুশের বিভিন্ন সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়। এ সময় হাতেনাতে পাঁচজনকে আটক করা হয়।
সেখানে ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে তাদের প্রত্যেককে দুই বছর করে বিনাশ্রম কারাদণ্ড দেওয়া হয়। এরা হচ্ছে মো. ইব্রাহিম খলিল (২৪), শরিফুল ইসলাম (২০), নাসির শেখ (২০), আবুল ফজল (৪০) ও মো. একরামুল হক (৫০)। একই সাথে অপ্সরী জ্যোতি ফিস ও চৌধুরী ফিস ডিপো সিলগালা করা হয়। জব্দকৃত চিংড়ি বাসস্ট্যান্ডে ফেলে গাড়ির চাকায় পিষ্ট করে বিনষ্ট করা হয়।
সিআইডি খুলনা মেট্রোর ইন্সপেক্টর কাজী মোস্তাক আহমেদ জানান, শনিবার সন্ধ্যায় খুলনা-সাতক্ষীরা মহাসড়কের ডুমুরিয়া উপজেলার ঝিলেরডাঙ্গা নামক স্থানে অভিযান চালিয়ে অপরাধ তদন্ত সংস্থা-সিআইডি সদস্যরা একটি পিকআপভর্তি পুশকৃত ৪০০ কেজি চিংড়ি জব্দ করে। এ সময় ১০ জনকে আটক করা হয়। পরে যাচাই-বাছাই করে চিংড়িতে পুশ না থাকায় ৫ জনকে ছেড়ে দেওয়া হয়। ডুমুরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সিফাত মেহনাজ ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে আটককৃতদের প্রত্যেককে অর্থদণ্ড দেন। এরমধ্যে মৎস্য ব্যবসায়ী আমিন উদ্দিনকে (৩৮) ৩ হাজার টাকা, শহিদুল ইসলাম ঢালীকে (৩৫) ৮ হাজার টাকা, সাইফুল ইসলামকে (৫০) ১০ হাজার টাকা, মো. আমান উল্লাহকে (২৮) ৫ হাজার টাকা এবং আবু জাফরকে (২৯) ১৫ হাজার টাকা জরিমানা করা হয়।