পরে তার বাড়ির পেছনের বাঁশঝাড়ে ছাইয়ের ঢিবির নিচে পুঁতে রাখা একটি পলিথিন ব্যাগে ৩টি তাজা বোমা এবং বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করা হয়।
ফরিদ উদ্দিন উপজেলার বোনারপাড়া ইউনিয়নের পশ্চিম রাঘবপুর ভূতমারা গ্রামের মৃত সাদেক আলীর ছেলে।
সাঘাটা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান জানান, ফরিদ উদ্দিনের আদি বাড়ি গাইবান্ধার সাবেক ফুলছড়ি উপজেলা হেড কোয়ার্টার এলাকায়। নদী ভাঙনের কারণে ১৯৯৪ সালে বাবার সঙ্গে সে সাঘাটা উপজেলার ওই গ্রামে বসবাস শুরু করে। সেখানে মোকছেদুল ইসলামের পাওয়ার ট্রলির চালক হিসাবে কাজ নেয়। মোকছেদুল ইসলাম জেএমবির কর্মী ছিল। তার মাধ্যমে সে ওই সংগঠনে যোগ দেয়। গাইবান্ধায় জঙ্গিদের বিরুদ্ধে অভিযান শুরু হলে মোকছেদুল বোমা ভর্তি ব্যাগটি ফরিদ উদ্দিনের কাছে রেখে স্ত্রী রোজিনা বেগমকে নিয়ে টাঙ্গাইলে বসবাস শুরু করে।
তিনি আরও জানান, গত মাসে টাঙ্গাইলে পুলিশের হাতে জেএমবি কর্মী মোকছেদুল ইসলাম ও তার স্ত্রী রোজিনা ধরা পরে। তারা পুলিশকে ফরিদ উদ্দীনের কথা জানায়। সেই তথ্য মোতাবেক ফরিদ উদ্দিনকে আটক করা হয়।
/এমএসএম/