জেলা শহরের উকিলপাড়ার মঞ্জুরুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদ পরবর্তী সময়ে ঢাকা যাওয়ার জন্য আমার দুইটি টিকেটের প্রয়োজন। বৃহস্পতিবার দুপুরে নীলফামারী স্টেশনে গেলে স্টেশন মাস্টার ওবায়দুল ইসলাম আমাকে জানান শীততাপ নিয়ন্ত্রিত টিকেট নিতে বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তার সঙ্গে যোগাযোগ করতে হবে। প্রায় দুই ঘণ্টা ধরে ওই কর্মকর্তার মোবাইল নম্বরে ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি। নিরুপায় হয়ে ফিরে আসি।
একইভাবে টিকিট নিতে গিয়ে ফিরে এসেছেন জেলা শহরের মিজানুর রহমান, কাদিমুল হকসহ, বিজয় চক্রবর্তী কাজলসহ অনেকে। তারা অভিযোগ করে বলেন,‘আসন খালি থাকলেও এসি আসনের টিকিট দিচ্ছেন না স্টেশন মাস্টার।’
কারণ জানতে চাইলে ওবায়দুল ইসলাম বলেন, ‘ঈদের কারণে ১৫ থেকে ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত নীলসাগর এক্সপ্রেস টেনের ওই আসনের নিয়ন্ত্রণ আমার হাতে নেই। মৌখিক আদেশে এসব আসনের টিকিটের নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (পাকশী) আহসানউল্লা ভূঁইয়া। তিনি পাকশী থেকে যাকে টিকিট দিতে বলছেন আমি তাকেই টিকিট দিচ্ছি।’
এ ব্যাপারে কথা বলার জন্য বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা (পাকশী) আহসান উল্লা ভূঁইয়ার মুঠো ফোনে একাধিকবার ফোন করেও তাকে পাওয়া যায়নি।
রেলওয়ের সূত্রমতে, নীলফামারীর চিলাহাটি থেকে ঢাকা চলাচলকারী নীলসাগর এক্সপ্রেস ট্রেনে জেলার চিলাহাটি, ডোমার, নীলফামারী এবং সৈয়দপুর রেলস্টেশনে স্টপেজ রয়েছে। এসব স্টেশনে শীততাপ নিয়ন্ত্রিত আসন চেয়ার ২৯টি এবং স্লিপিং বাথ ১০টি বরাদ্দ রয়েছে।
ঈদ পরবর্তী যাত্রায় ওই আসনগুলোর নিয়ন্ত্রণ নিয়েছেন রেলওয়ের বিভাগীয় বাণিজ্যিক কর্মকর্তা আহসানউল্লা ভূঁইয়া। এ কারণে আসন খালি থাকলেও টিকিট পাওয়া যাচ্ছে না স্টেশনে।
/এসএনএইচ/