শনিবার বিকেলে ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপি আয়োজিত বিক্ষোভ সমাবেশে এ মন্তব্য করেন তিনি।
ফখরুল ইসলাম বলেন, জিয়াউর রহমানের পদক প্রত্যাহার সরকারের নিকৃষ্ট পদক্ষেপ। জিয়ার পদক কেড়ে নেওয়া আর গোটা জাতির পদক কেড়ে নেওয়া একই কথা। যে ব্যক্তি স্বাধীনতার ঘোষণা না দিলে দেশ স্বাধীন হতো না, সেই ব্যক্তির পদক কেড়ে নেওয়া জাতি কোনও দিনই মেনে নেবে না।
বিএনপি মহাসচিব বলেন, এ পদক কেড়ে নিয়ে শুধু স্বাধীনতাকে অসম্মান করা হয়নি, সব মুক্তিযোদ্ধাকেও অসম্মান করা হয়েছে।
সরকারের কিছু মন্ত্রীর জিয়া সম্পর্কে অশালীন বক্তব্যের উল্লেখ করে ফখরুল ইসলাম বলেন, তারা মুক্তিযুদ্ধের সময় কোথায় ছিলেন। তারা তো পার্শ্ববর্তী দেশে পালিয়ে গিয়েছিলেন। এরকম লোকদের জিয়ার বিপক্ষে কথা বলা মানায় না।
মির্জা ফখরুল বলেন, দীর্ঘদিন ধরে জিয়া এবং তার পরিবারকে নিশ্চিহ্ন করার ষড়যন্ত্র চলছে। তারই অংশ হিসেবে এ নিকৃষ্ট কাজ করা হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, এ সরকার গণতন্ত্রের নামে বাকশাল কায়েম করছে। কিন্তু এ নাটক না করে একবারে ঘোষণা দিলেই চলে, দেশে বাকশাল চলবে, কারও কোনও মত প্রকাশের, লেখার অধিকার থাকবে না।
জিয়ার স্বাধীনতার পদক কেড়ে নিয়ে সরকার গণতন্ত্রের ওপর শেষ পেরেক ঠুকেছে মন্তব্য করে বিএনপি মহাসচিব বলেন, বিএনপির সব নেতা এবং দেশবাসীকে এ বিষয়ে সোচ্চার হতে হবে।
সমাবেশে আরও বক্তব্য রাখেন, বিএনপি সহসভাপতি ও ঠাকুরগাঁও পৌর মেয়র মির্জা ফয়সল আমিন, নূর করিম, সাধারণ সম্পাদক তৈমুর রহমান, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল্লাহ মাসুদ প্রমুখ।
/এমএসএম/