মুরাদনগর উপজেলার শ্রীপুর গ্রামের আরিফ (২৭)ছিল ওই পরিবারের চতুর্থ সন্তান। পরিবারে আর্থিক স্বচ্ছলতা ফিরিয়ে আনতে তিনি প্রায় ৮ বছর আগে সৌদি আরবে যান। তার উপার্জনের টাকায় বাবা-মা, স্ত্রী রেহানা আক্তার ও এক বছরের একমাত্র সন্তানসহ ৮ সদস্যের পরিবারটি চলতো। আরিফের আকস্মিক মৃত্যুর খবরে পরিবারের সদস্যরা হতবাক হয়ে পড়েছেন।
খবর পেয়ে রাত সাড়ে ৮টার দিকে উপজেলার চাপিতলা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আবদুল কাইয়ূম ভূঁইয়া নিহতের বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের শান্তনা দেন। তিনি জানান, ‘আরিফের আয়ের ওপর পরিবারটি চলতো। তার মৃত্যুতে পরিবারটি অসহায় হয়ে পড়েছে। লাশ দ্রুত দেশে আনার জন্য সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তার পরিবারের সদস্যরা।’
এপিএইচ/
আরও পড়ুন: