বালিকা বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও অভিবাবকরা জানান, জাহিদুল ইসলাম ৭ম শ্রেণির শিক্ষক। পাঠদানকালে শিক্ষার্থীদের অনৈতিক আচরণের পাশাপাশি কুরুচি বাক্য প্রয়োগ করেন তিনি। এমনকি প্রাইভেট পড়ানোর সময় ছাত্রীদের শারীর স্পর্শ করার অভিযোগও রয়েছে তার বিরুদ্ধে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে একাধিক শিক্ষার্থী জানিয়েছে, ‘জাহিদ স্যার অনেক দিন ধরে আমাদের বিভিন্ন অনৈতিক প্রস্তাব দিয়ে আসছে। তাতে রাজি না হলে পরীক্ষার খাতার নম্বর কমিয়ে দেওয়ারও ভয় দেখান। একই সঙ্গে বিদ্যালয়ের মাসিক বেতন স্কুলে না দিয়ে শিক্ষার্থীদের ভিন্ন সময় তার বাসায় গিয়ে বেতনের টাকা দিয়ে আসতে বলেন।’
শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মৌখিকভাবে যৌন হয়রানির অভিযোগ পাওয়ার কথা স্বীকার করে বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সৈয়দ আহম্মেদ বলেন, ‘ইতোমধ্যেই তদন্ত করে প্রতিবেদন যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হয়েছে। এছাড়া বিষয়টি বিদ্যালয় ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতিকেও অবহিত করা হয়েছে।’
এ ব্যাপারে অভিযুক্ত শিক্ষক জাহিদুল ইসলামের সঙ্গে মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ফোন বন্ধ পাওয়া যায়।
/এসএনএইচ/