বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা সাড়ে ৬টায় দিনাজপুরের হিলি স্থল শুল্কস্টেশনের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত মতবিনিময় সভায় তিনি এসব কথা বলেন। এর আগে তিনি হিলি স্থলবন্দরে এসে পৌঁছলে স্থানীয় কাস্টম ও বন্দর কতৃপক্ষ, ব্যবসায়ী ও সিএন্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে ফুল দিয়ে শুভেচ্ছা জানানো হয়।
নজিবুর রহমান বলেন, ‘আমাদের জাতীয় জীবনে রাজস্ববান্ধব সংস্কৃতি প্রতিষ্ঠার জন্য এনবিআর কাজ করছে। বর্তমান সরকার দেশের সব বন্দরগুলোর অবকাঠামো ও উন্নয়ন সম্ভাবনা যাচাই করে সেগুলোর উন্নয়ন করেছে। এ লক্ষ্যে বন্দরগুলোর সমস্যাগুলো চিহ্নিত করে সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগগুলোর সঙ্গে আলোচনা করে তা সমাধান করা হবে।’
তিনি আরও বলেন, ‘হিলিস্থলবন্দর দিয়ে দু’দেশের মাঝে ব্যবসা-বানিজ্যের অমিত সম্ভাবনা রয়েছে।’
সভায় হিলি স্থলবন্দর আমদানি-রফতানিকারক গ্রুপের সভাপতি হারুন উর রশীদ বলেন, ‘ভারত অংশের হিলির কাস্টমসে উচ্চপদস্থ কোনও কর্মকর্তার পোস্টিং না থাকা এবং ভারত অভ্যন্তরে প্রয়োজনীয় অবকাঠামো না থাকায় হিলি স্থলবন্দর দিয়ে প্রচুর পরিমানে পণ্য রফতানির সম্ভাবনা থাকা সত্বেও সকল ধরনের পন্য আমাদানি-রফতানি করা যায়না। এতে করে সরকার প্রচুর পরিমানে রাজস্ব হারাচ্ছে।’
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন- হাকিমপুর পৌরসভার মেয়র জামিল হোসেন, বাংলাহিলি কাস্টমস সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মো. কামাল হোসেন রাজ, জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের সদস্য ফরিদ উদ্দিন, বাংলাদেশ স্থল বন্দর কর্তৃপক্ষের চেয়ারম্যান তপন কুমার চক্রবর্তী, দিনাজপুর জেলা প্রশাসক মীর খায়রুল আলম, বিজিবি রংপুরের ডেপুটি রিজোন কমান্ডার কর্নেল মো.জুলফিকার আলী, বিজিবি জয়পুরহাট ২০ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মো. মোস্তাফিজুর রহমান, রংপুর কাস্টমসের কমিশনার আহসানুল হক, যুগ্ম কমিশনার একেএম নুরুল হুদা আজাদ, হাকিমপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শুকরিয়া পারভিন, হিলি স্থল শুল্ক স্টেশনের সহকারি কমিশনার মো. ফখরুল আমিন চৌধুরী, পানামা হিলি পোর্টের পরিচালক প্রিন্স চৌধুরী, ম্যানেজার এসএম হায়দার প্রমুখ।
/এসএনএইচ/