জঙ্গি নিহতের ঘটনায় রবিবার বেলা ১২টা পর্যন্ত কোনও মামলা হয়নি। মামলা করার প্রস্তুতি চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
র্যাব জানিয়েছে, হাড়িনালে তাদের অভিযানে নিহত দুজন হলেন রাশেদ মিয়া ও তৌহিদুল ইসলাম। তারা এই নাম বাড়ির মালিকের কাছ থেকে পেয়েছেন। তবে এটা প্রকৃত নাম কিনা, সে বিষয়ে তারা নিশ্চিত নন।
এদিকে পুলিশ জানায়, পাতারটেকে তাদের অভিযানে নিহত সাত জনের মধ্যে একজন ফরিদুল ইসলাম ওরফে আকাশ ওরফে প্রভাত। তিনি নব্য জেএমবির ঢাকা বিভাগের আঞ্চলিক কমান্ডার ছিলেন।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ জানান, নিহত সব জঙ্গির পরিচয় এখনও পাওয়া যায়নি। পরিচয় উদ্ধারের চেষ্টা চলছে।
জয়দেবপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার রেজাউল হাসান রেজা জানান, মরদেহ নয়টি উদ্ধার করে শনিবারই গাজীপুরের শহীদ তাজউদ্দীন আহমদ মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। ময়নাতদন্ত শেষে মরদেহগুলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের হিমঘরে পাঠানো হবে। সেখানে মরদেহের পরিচয়ের ব্যাপারে নিশ্চিত হতে ডিএনএ পরীক্ষা করা হবে। এ ঘটনায় মামলা করার বিষয়টি প্রক্রিয়াধীন বলেও জানান তিনি।
উল্লেখ্য, শনিবার গাজীপুর সিটি করপোরেশন এলাকার হাড়িনাল ও পাতারটেকে জঙ্গিবিরোধী পৃথক অভিযান চলে। এসময় হাড়িনালে দুইজন ও পাতারটেকে সাত সন্দেহভাজন জঙ্গি নিহত হয়।
/এফএস/