স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দির্ঘদিন ধরে জমিজমা নিয়ে বিরোধ থাকায় রবিবার সন্ধ্যায় ইদ্রিস আলীকে একা পেয়ে গলায় দা দিয়ে কোপ দেয় প্রতিপক্ষের লোকজন। পরে তাকে উদ্ধার করে হাসপাতলে আনলে কর্তব্যরত চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
তবে নিহতের পরিবারের দাবি এলাকার নোমান ও পলাশ এ হত্যার সঙ্গে জড়িত।
বরগুনা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. রিয়াজ হোসেন পিপিএম জানান, ‘নিহত ইদ্রিস আলীর মারদেহ ময়নাতদন্তের জন্য বরগুনা হাসপাতালের মর্গে রাখা হয়েছে। এ হত্যায় জড়িতদের গ্রেফতারে পুলিশি তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে।’
/এসএনএইচ/