বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে বিজিবি’র এসব সদস্যদের ক্লোজড করা হয়। এর আগে বিকাল ৫টার দিকে টেকনাফের দমদমিয়া বিজিবি চেকপোস্টে তল্লাশি করার সময় বিজিবি সদস্যদের সাথে শিক্ষার্থীদের কথা কাটাকাটির ঘটনা ঘটে।
ক্লোজড হওয়া বিজিবি’র সদস্যরা হলেন- হারুন, ইমরান, সবুজ, আহমদ। তবে অন্য জনের নাম নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
টেকনাফ উপজেলা নিবার্হী কর্মকর্তা (ইউএনও) মোহাম্মদ শফিউল আলম বলেন, ‘ঘটনার খবর পাওয়ার পর বিজিবির কর্মকর্তা ও শিক্ষার্থী নিয়ে ঘটনাস্থলে বৈঠক করে সমাধানের আশ্বস্ত করার পর শিক্ষার্থীরা সড়কের অবরোধ তুলে নিলে পুনরায় যানবাহন চলাচল শুরু হয়।’
টেকনাফ ২ বিজিবির উপ অধিনায়ক মেজর আবু রাসেল ছিদ্দিকী সাংবাদিকদের বলেন, ‘ঘটনার অভিযুক্তদের সাময়িকভাবে দায়িত্ব থেকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে এবং প্রশাসনিকভাবে তদন্ত করে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
বৃহস্পতিবার বিকাল ৫টার দিকে টেকনাফের সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আসা জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সঙ্গে স্থানীয় বিজিবি সদস্যদের কথা কাটাকাটি হয়। এক পর্যায়ে শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করে। পরে সমঝোতা বৈঠক শেষে তিন ঘণ্টা পর অবরোধ তুলে নেন শিক্ষার্থীরা।
জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী জাকিউল ইসলাম জানান, ‘বিশ্ববিদ্যালয়ের ১৫০ জন শিক্ষার্থী সেন্টমার্টিন ভ্রমণে যান। সেন্টমার্টিন থেকে ওইদিন বিকালে কক্সবাজারের উদ্দেশে্য দমদমিয়া জেটিঘাট হয়ে উপকূলে ওঠার পর বিজিবি তল্লাশি চালায়। এ সময় বিজিবি সদস্যরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা দাঁড় করিয়ে রাখার অভিযোগে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বিজিবি সদস্যদের কথা কাটাকাটি হয়। এ সময় ক্ষিপ্ত হয়ে বিজিবি সদস্য আবু হায়দারের নেতৃত্বে একদল বিজিবি সদস্য নিজেদের পোশাকে লাগানো নেইমপ্লেট খুলে ফেলে শিক্ষার্থীদের ওপর লাঠিচার্জ করেন। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের ইমরান হোসেন, সজিব ও বায়োজিদ রানাসহ ১৫ থেকে ২০ জন শিক্ষার্থী আহত হন। এ ঘটনার জের ধরে বিক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা কক্সবাজার-টেকনাফ সড়ক অবরোধ করেন।’
/এসএনএইচ/