এর মধ্যে মাধ্যমিক স্তরে ৩০ লাখ ৪৯ হাজার ২১৫ কপি এবং প্রাথমিক স্তরে ১৭ লাখ ২৭ হাজার ৯১০ কপি।
সূত্র জানায়, ২০১৭ সালে সরকারের বিনামূল্যে বই জেলার ছয় উপজেলায় প্রাথমিক ও মাধ্যমিক স্তরের ছাত্র/ছাত্রীর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৫ লাখ ৩৬ হাজার ৬৮৩ জন। এর মধ্যে মাধ্যমিক পর্যায়ে ১ লাখ ৪৯ হাজার ৪৭০ জন ও প্রাথমিক পর্যায়ে ৩ লাখ ৮৭ হাজার ২১৩ জন শিক্ষার্থীর মধ্যে ওই বই বিতরণ করা হবে। এর মধ্যে নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান গুলোর চাহিদা অনুযায়ী ইবতেদায়ী শাখায় ২ লাখ ২৮ হাজার ১শ’, দাখিল ৪ লাখ ৯৭ হাজার ৪শ’, দাখিল ভকেশনাল ৫ হাজার ৩০ কপি, ইংরাজী মাধ্যমে ২ হাজার ৩৫ ও মাধ্যমিকে ২২ লাখ ৬০ হাজার ৫২০ কপি বইয়ের চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
এদিকে, প্রাথমিক পর্যায়ে জেলার ছয় উপজেলায় নিজ নিজ প্রতিষ্ঠান গুলোর চাহিদা অনুযায়ী নীলফামারী সদরে ৪ লাখ ৫১ হাজার ৮৯০ কপি। ডোমারে, মোট বইয়ের চাহিদা ১ লাখ ৯৯ হাজার ৫শ’ কপি, ডিমলায় ২ লাখ ৭৯ হাজার ৮০৯ কপি, জল ঢাকায় ৪ লাখ ২৬ হাজার ৮১৭ কপি, কিশোরগঞ্জে ২ লাখ ৪৪ হাজার ৪১০ কপি ও সৈয়দপুর উপজেলায় ২ লাখ ৬৭ হাজার ৪৯৩ কপি চাহিদা পাঠানো হয়েছে।
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসের মনিটারিং অফিসার মিজানুর রহমান জানান, ‘নীলফামারী জেলার চার উপজেলায় ১ লাখ ৪৫ হাজার ৪৩১ কপি বই পাওয়া গেছে। এর মধ্যে নীলফামারী সদর ও কিশোরগঞ্জ উপজেলায় এখনও বই এসে পৌঁছায়নি। তবে শিগগিরই প্রথম কিস্তির বই এসে যাবে। চাহিদা অনুযায়ী জেলায় ওই দুই স্তরের মোট বইয়ের পরিমান ৪৭ লাখ ৭৭ হাজার ১২৫ কপি। এটি গত বছরের তুলনায় এ বছর প্রায় ৩ হাজার শিক্ষার্থী বেশি হয়েছে। জেলার সকল উপজেলায় চাহিদা অনুযায়ী প্রায় ৭০ শতাংশ বই এসে পৌঁছেছে।’
নীলফামারী সদর উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার আহম্মেদ আহসান হাবীব বলেন, ‘চাহিদা মোতাবেক ৭০ শতাংশ বই মজুদ রয়েছে। বাকি বইও সময়মতো এসে যাবে এবং বই উৎসবে বিনামূল্যে সব শিক্ষার্থীকে বই দেওয়া হবে।’
জেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার মো. শফিকুল ইসলাম বলেন, ‘প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা মোতাবেক উপজেলার প্রত্যেকটি প্রতিষ্ঠানে বই সরবরাহের সব ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়েছে। আগামী ১ জানুয়ারি জেলার সব শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ছাত্র/ছাত্রীদের হাতে নতুন বই তুলে দেওয়ার জন্য উপজেলা ভিত্তিক চাহিদা মোতাবেক প্রথম কিস্তির বই মজুদ রয়েছে।’
জেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার দিলীপ কুমার বণিক বলেন, ‘উপজেলাভিত্তিক প্রতিষ্ঠানগুলোর চাহিদা অনুযায়ী বইয়ের তালিকা পাঠানো হয়েছে। জেলায় ৬৫ ভাগ বই হাতে পাওয়া গেছে।’
তিনি আরও বলেন, ‘চাহিদা অনুযায়ী প্রথম কিস্তির বই আমাদের মজুদ রয়েছে। আশা করছি জানুয়ারির আগেই বাকি বই পাওয়া যাবে।’
জানা গেছে, আগামী ১ জানুয়ারি সারাদেশের ন্যায় নীলফামারী জেলাতে শিক্ষার্থীদের মধ্যে নতুন বই বিতরণের মাধ্যমে পালিত হবে বই উৎসব। নতুন বইয়ের মৌ মৌ গন্ধে ভরে উঠবে শিক্ষার্থীদের কোমল মন।
/এসএনএইচ/