জানা গেছে, প্রায় অধা কিলোমিটার নতুন লাইন নির্মাণে ২ কোটি টাকা ব্যায় হলেও তা বাড়তে পারে। পাকশী রেলের নিয়োগকৃত ঢাকার ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সওয়েল কোম্পানি এ কাজটি করছে।
সরেজমিনে দেখা গেছে, গত কয়েকদিন ধরে দিনরাত কাজ করছেন শ্রমিকরা। রেলবিভাগ তড়িঘড়ি কাজটি করলেও লাইনের নিচে কংক্রিট ও কাঠের স্লিপারের পাশপাশি পুরাতন ও ভঙ্গুর স্লিপার ব্যবহার করা হচ্ছে। নতুন লাইনের নিচে আবারও গত বছরের ন্যায় পুরাতন স্লিপার ব্যবহারে স্থানীয়রা হতাশ।
তবে রেল বিভাগ থেকে জানানো হয়েছে, নতুন স্লিপার পর্যাপ্ত না থাকায় পুরাতন স্লিপার ব্যবহার করা হচ্ছে। পুরাতন স্লিপার দিয়ে লুপ লাইন নির্মাণের অভিযোগ তুলেছেন স্থানীয়রা।
গত বছর বাজার স্টেশন এবং এর দুই কিলোমিটার দূরত্বে রায়পুর স্টেশনের মধ্যবর্তী অংশে সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস আন্তঃনগর ট্রেনটি ঢাকা-সিরাজগঞ্জ যাওয়া-আসার পথে এক সপ্তারের ব্যবধানে তিনবার লাইনচ্যুত হয়। সে সময় পশ্চিমাঞ্চল রেল বিভাগ থেকে দুই স্টেশনের মাঝে সংস্কার কাজ করা হয়। তখনও পুরাতন ও ভঙ্গুর স্লিপার ব্যবহার করা হয়।
রেলবিভাগের ঠিকাদারী প্রতিষ্ঠান ম্যাক্সওয়েল কোম্পানির দায়িত্বপ্রাপ্ত সুপারভাইজার গোলাম রব্বানী বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘আমরা শুধু লাইন স্থাপনের কাজ করছি। রেল ও স্লিপার রেল বিভাগ থেকে সরবরাহ করা হয়েছে।’
উল্লেখ্য, বাজার স্টেশনে লুপ লাইন স্থাপন করা হলে সিরাজগঞ্জ বাজার স্টেশন থেকে বঙ্গবন্ধু সেতু হয়ে ঢাকাগামী সিরাজগঞ্জ এক্সপ্রেস ট্রেনটির যাত্রার সময় কমপক্ষে এক ঘণ্টা কমবে। একই সঙ্গে ঈশ্বরদী ও রাজশাহীগামী অন্যান্য লোকাল ট্রেনেরও যাত্রার সময় কমে আসবে। বাজার স্টেশনের ২ কিলোমিটার দক্ষিণে রায়পুর স্টেশনে প্রতিদিন আন্তঃনগর বা লোকাল ট্রেন নিজ নিজ গন্তব্যস্থলে যাতায়াতে আগে প্রয়োজনীয় সান্টিং ও ঘুরাতে এক থেকে দেড় ঘণ্টা সময় লাগতো। লুপ লাইন চালু হওয়ার পর সময় বিড়ম্বনা অনেকটাই কমবে বলে আশা করছে রেল বিভাগ।
/এসএনএইচ/