অনেকেই চেয়ারম্যান পদে মনোনয়ন পেতে দলের স্থানীয় নির্বাচন মনোনয়ন বোর্ডের কাছে আবেদনপত্র জমা দিতে ঢাকায় অবস্থান করছেন। আর সদস্য পদে প্রার্থীরা ওয়ার্ড ভিত্তিক প্রচারণা শুরু করেছেন।
ইতোমধ্যেই নির্বাচন সামনে রেখে জেলার প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যে চাঞ্চল্য সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন পর জেলা পরিষদ নির্বাচন হতে যাচ্ছে বলে জনগণের মধ্যে উৎসাহের অন্ত নেই।
নির্বাচনের তফসিল ঘোষণা না হলেও সম্ভব্য সদস্য প্রার্থীরা নিজ নিজ ওয়ার্ডে ভোটাদের সঙ্গে কুশল বিনিময় ও মিষ্টি বিতরণ করছেন। সদস্য পদে শতাধিক প্রার্থী মাঠে রয়েছেন।
গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদ নির্বাচনে সম্ভব্য চেয়ারম্যান প্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন- জেলা আওয়মী লীগের সভাপতি ও জেলা পরিষদের বর্তমান প্রশাসক মুক্তিযোদ্ধা চৌধুরী এমদাদুল হক, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ রাজা মিয়া (বাটু মিয়া),জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সহ-সভাপতি ও রেড ক্রিসেন্টের সেক্রেটারি সিকদার নূর মোহাম্মদ দুলু, জেলা আওযামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান, সাবেক পৌর মেয়র ও গোপালগঞ্জ শহর আওয়ামী লীগের সভাপতি হাসমত আলী সিকদার চুন্নু, জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক প্রচার ও প্রকাশনা সম্পাদক এম বদরুল আলম বদর, কোটালীপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান বিমল কৃষ্ণ বিশ্বাস, টুঙ্গিপাড়া উপজেলার সাবেক চেয়ারম্যান সোলায়মান বিশ্বাস, গোপালগঞ্জ সদর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি শেখ মো. ইউসুফ আলী এবং মুক্তিযোদ্ধা ইসমত কাদির গামা।
জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মাহাবুব আলী খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘প্রার্থী হতে অনেকেই আগ্রহী থাকতে পারেন। তবে দলীয় মনোয়ন বোর্ড যাকে মনোনয়ন দেবে আমি তার পক্ষেই কাজ করবো।’
জেলা নির্বাচন অফিসার ওহিদুজ্জামান মুন্সি বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ‘গোপালগঞ্জে জেলা পরিষদ নির্বচনে মোট ভোটার সংখ্যা ৯৫১টি। জেলা সদরসহ জেলার পাঁচটি উপজেলাকে মোট ১৫টি ওয়ার্ড ও ৫টি সংরক্ষিত মহিলা আসনের সদস্য নির্বাচনের জন্য ৫টি ওয়ার্ড গঠন করা হয়েছে। ওয়ার্ডভিত্তিক ভোট কেন্দ্রে ভোটাররা তাদের ভোট দিয়ে চেয়ারম্যান ও সদস্য নির্বাচন করবেন।
/এসএনএইচ/