অন্যদিকে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগ প্রমাণিত না হওয়ায় ৬ জন খালাস দেওয়া হয়েছে। খালাস পাওয়া ব্যক্তিরা হলেন- আমিনউদ্দিন হালদার, আকাম হালদার, আবু তাহের, আবু হোসেন, সালাম ও হাসি বেগম। সরকার পক্ষে এ মামলা পরিচালনা করেছেন স্পেশাল পিপি এসএম বদরুজ্জামান পলাশ।
মামলার বিবরণ থেকে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ১৭ জুন সকালে আজাহার আলী ছেলেমেয়েদের নিয়ে মাঠে কাজ করতে যান। দুপুরে বাড়ি ফিরলে স্ত্রী রহিমা খাতুন জানান, ছোটভাই আমিনউদ্দিনের বেগুন গাছ খাওয়ায় তাদের দুটি ছাগল ধরে নিয়ে খোয়াড়ে না দিয়ে বাড়িতে বেঁধে রেখেছে। সন্ধ্যায় ছাগলের ডাকাডাকি শুনে রহিমা খাতুন ছাগল আনতে যান। এ সময় আমিন উদ্দিন ইট দিয়ে আঘাত করলে তিনি মাটিতে পড়ে যান। এরমধ্যে নাজমুল একটি বালিধারা দিয়ে চাচী রহিমা খাতুনের মাথায় আঘাত করলে ঘটনাস্থলে মারা যান। এ ব্যাপারে নিহতের স্বামী আজাহার আলী বাদী হয়ে ৭ জনকে আসামি করে কেশবপুর থানায় একটি হত্যা মামলা করেন।
এ মামলার তদন্তশেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকায় ওই সাত জনকে অভিযুক্ত করে ১৯৯৯ সালের ১৪ সেপ্টেম্বর আদালতে চার্জশিট জমা দেন তদন্তকারী কর্মকর্তা পরিদর্শক (ওসি) আবুবক্কর সিদ্দিক। মামলার দীর্ঘ সাক্ষ্যগ্রহণ শেষে হত্যার সঙ্গে জড়িত থাকার প্রমাণ পাওয়ায় বিচারক আসামি নাজমুল হাসান রাজুকে যাবজ্জীবন সশ্রম কারাদণ্ড এবং ২০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও ২ বছরের সশ্রম কারাদণ্ড দিয়েছেন। তিনি কারাগারে আটক আছেন।
/এসএনএইচ/