বুধবার দুপুরে গাজীপুরের শিশু উন্নয়ন কেন্দ্র পরিদর্শন শেষে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
কাজী রিয়াজুল হক বলেন, ‘তবে মুক্তির পর আটক শিশুর মৃত্যু ঝুঁকি থাকলে বা আবার সে বড় ধরণের কোনও অপরাধ সংঘটন করতে পারে এমন আশঙ্কা ছাড়া কোনও শিশুকে জুভেনাইল সেন্টারে আটকিয়ে রাখার সুযোগ নেই। শিশু আইনের দৃষ্টিকোণ থেকে শিশুদের বিচার জুভেনাইল জাস্টিজ সিস্টেমে করতে হবে।’
হঠাৎ পরিদর্শনের কারণ জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘দীর্ঘদিন থেকে বিনা বিচারে জেলখানা বা সংশোধনী কেন্দ্রগুলোতে অপরাধ না করে অপরাধের সংস্পর্শে এসে এসব জায়গায় কারো কারো আশ্রয় হয়। তাদেরকে আবার যেন তাদের নির্দিষ্ট স্থানে ফেরত পাঠানো যায় সে ব্যাপারে কোনও সহায়তার প্রয়োজন আছে কিনা, যাদের অপরাধের প্রবণতা ততটা না বা অপরাধ ছাড়াই যারা এখানে চলে এসেছে সেসব দেখাই আমাদের দায়িত্ব।’
মানবাধিকার চেয়ারম্যান বলেন, ‘বয়স ৯ না হলে কোনও অপরাধ নয়। কোনও শিশু অপরাধ করলে আমরা তাকে বলি সে আইন ভেঙ্গেছে। আইন ভাঙ্গা মানে অপরাধ করা। এ জাতীয় লোকদের জন্যই জুভেনাইল সেন্টার করা হয়েছে। শিশুদের নরমাল কোর্টে বিচার করা যাবে না। কথাবার্তার মাধ্যমে তাকে বিচার করতে হবে। বড় হয়ে সে যেন সমাজের সাথে মিশতে পারে এবং সে যে অপরাধ করেছে তা যেন তার মনের মধ্যে দাগ না কাটে। সে যেন ভবিষ্যতে মেইনস্ট্রিমে ফিরে আসতে পারে।’
/এসএনএইচ/