আজ ১৪ ডিসেম্বর। বীরশ্রেষ্ঠ ক্যাপ্টেন মহিউদ্দীন জাহাঙ্গীরের ৪৫তম শাহাদাত বার্ষিকী। ৪৫ বছর আগে দেশ শত্রুমুক্ত হওয়ার দুই দিন আগে ৭নং সেক্টরের অধীন চাঁপাইনবাবগঞ্জের মহানন্দা নদীর পাদদেশ রেহাইচরে সম্মুখ যুদ্ধে শাহাদত বরণ করেন জাতির এ সূর্য সন্তান।
বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের শেষ ইচ্ছা অনুযায়ী সোনা মসজিদ প্রাঙ্গনে ৭নং সেক্টরের প্রথম সেক্টর কমান্ডার মেজর নাজমুল হকের পাশে তার লাশ দাফন করা হয়।
তার শাহাদাত বার্ষিকীতে মুক্তিযোদ্ধা সংসদ চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা ইউনিট ও জেলা প্রশাসন নানা কর্মসূচি হাতে নিয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে রেহাইচরে অবস্থিত বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের স্মৃতিসৌধে জাতীয় পতাকা উত্তোলন ও পুষ্পস্তবক অর্পণ, সোনা মসজিদ প্রাঙ্গণে বীরশ্রেষ্ঠ জাহাঙ্গীরের কবরে কোরআনখানি, আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিল এবং শহীদ মুক্তিযোদ্ধাদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন, দোয়া, আলোচনা সভা ও গণকবর জিয়ারত।
এসব অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি থাকবেন চাঁপাইনবাবগঞ্জ-১ আসনের সাংসদ গোলাম রাব্বানী।
বরিশাল জেলার বাবুগঞ্জ উপজেলার রহিমগঞ্জ গ্রামের আব্দুল মোতালেব হাওলাদারের সন্তান ছিলেন ক্যাপ্টেন মহিউদ্দিন জাহাঙ্গীর। ১৯৭১ সালে মহান মুক্তিযুদ্ধের প্রাক্কালে পাকিস্তানি সামরিক বাহিনী ত্যাগ করে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে দুর্গম পাহাড়ি এলাকা অতিক্রম করে ভারতের মালদহ জেলার মোহদিপুরে অবস্থিত মুক্তিবাহিনীতে যোগ দেন তিনি। মুক্তিযুদ্ধে ৭নং সেক্টরের অধীন চাঁপাইনবাবগঞ্জে তিনি বেশ কয়েকটি সম্মুখ সমরে নেতৃত্ব দেন।
/টিআর/