বহিষ্কার হওয়া ছাত্ররা হলেন- ফার্মেসি বিভাগের চতুর্থ বর্ষের ছাত্র আবদুল হামিদ বাপ্পি, ইংরেজি বিভাগের অষ্টম ব্যাচের ছাত্র নাসির আহমেদ রানা ও সাজ্জাদ শিহাব, ফুড টেকনোলজি অ্যান্ড নিউট্রিশন সায়েন্স বিভাগের অষ্টম ব্যাচের ছাত্র সাইফুল হক রূপু, আইসিই বিভাগের দশম ব্যাচের ছাত্র সাজেদুর রহমান নাইম, অর্থনীতি বিভাগের দশম ব্যাচের ছাত্র নাসির হোসেন।
হলের প্রভোস্ট মোহাম্মদ ইউসুফ মিঞা রবিবার বাংলা ট্রিবিউনকে বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘হলে হামলার পর বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য এম ওহিদুজ্জামান মৌখিকভাবে পাঁচ সদস্যের কমিটি গঠনের নির্দেশ দেন। কমিটির দেওয়া প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী ওই ছয় ছাত্রকে বহিষ্কার করা হয়। তদন্ত কমিটির নেতৃত্বে ছিলেন মোহাম্মদ ইউসুফ মিঞা।’
শনিবার বেলা আড়াইটা থেকে সাড়ে তিনটা পর্যন্ত বিশ্ববিদ্যালয়ের আবদুস সালাম হলে হামলা-ভাঙচুর ও লুটপাট চালায় অস্ত্রধারী বহিরাগতরা। এ সময় তারা পিটিয়ে ও কুপিয়ে ১৫ শিক্ষার্থী আহত করে। চারতলা হলের বিভিন্ন কক্ষের দরজা-জানালার কাঁচ, চেয়ার-টেবিল ও আসবাব ভাঙচুর করে তারা। এ সময় হামলাকারীরা কয়েকটি ল্যাপটপ, মুঠোফোন সেট ও টাকা লুট করে।
জানা যায়, ১৬ ডিসেম্বর বিজয় দিবসে বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসে নাস্তা বিলি নিয়ে ছাত্রলীগের আবদুল হামিদ রানা ও সাজ্জাদ প্রোমেল সমর্থকদের মধ্যে বাকবিতণ্ডার সৃষ্টি হয়। এঘটনায় শুক্রবার বিকেল থেকেই ক্যাম্পাস উত্তপ্ত থাকে। তাছাড়া বিশ্ববিদ্যালয়ে ছাত্রলীগের কমিটিকে কেন্দ্র করেও ওই দুই পক্ষের মধ্যে বেশ কিছুদিন উত্তেজনা বিরাজ করছে। তারই ধারাবাহিকতায় শনিবার বিকেলে মাস্টার্সের ছাত্র ও ছাত্রলীগের নেতা আবদুল হামিদ বাপ্পির ইন্দনে তার সমর্থক আবদুল হামিদ রানার নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে বহিরাগত সন্ত্রাসীরা প্রবেশ করে এবং ছাত্রাবাসে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর ও লুটপাট করে। এছাড়া শিক্ষার্থীদের কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে।
/এসএনএইচ/