হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ

সংবাদ সম্মেলনে বক্তব্য রাখছেন হুমায়ুন কবীর রুমানশেরপুর জেলা পরিষদ নির্বাচনে সরকার দলীয় হুইপ ও স্থানীয় সংসদ সদস্য আতিউর রহমান আতিকের বিরুদ্ধে নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ উঠেছে। এ অভিযাগ করেছেন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ুন কবীর রুমান। তিনি অভিযোগ করেছেন, ভয়-ভীতি দেখিয়ে ও বিভিন্ন অনুদানের আশ্বাস দিয়ে হুইপ ভোটারদের (ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার) দলীয় প্রার্থীকে ভোট দেওয়ার প্রচারণা চালাচ্ছেন। বৃহস্পতিবার (২২ ডিসেম্বর) এক সংবাদ সম্মেলনে রুমান এসব অভিযোগ করেন। তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন হুইপ আতিক।
শেরপুর শহরের খরমপুরের নির্বাচনি ক্যাম্পে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হুমায়ুন কবীর রুমান বলেন, ‘এই নির্বাচনের ভোটারদের (ইউপি চেয়ারম্যান-মেম্বার) প্রভাবিত করছেন হুইপ আতিউর রহমান আতিক। তিনি ভয়-ভীতি দেখানোর পাশাপাশি অনুদানের আশ্বাস দিয়ে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী আনারস প্রতীকের চন্দন কুমার পালের পক্ষে প্রচারণা চালাচ্ছেন।’
জেলা আওয়ামী লীগের সাংগঠনিক সম্পাদক ও মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী রুমান জানান, এর আগে লিখিতভাবে এসব অভিযোগ নির্বাচন কমিশনে জানানো হয়েছে। তবে এসব অভিযোগের ভিত্তিতে কোনও ব্যবস্থা নেয়নি নির্বাচন কমিশন। এ কারণেই তিনি হুইপ আতিকের আচরণবিধি লঙ্ঘনের প্রমাণ হিসেবে নির্বাচনি প্রচারণা ও সরকারি অনুদান ও বরাদ্দ দেওয়ার আশ্বাসের অডিও রেকর্ড উপস্থিত সাংবাদিকদের কাছে হস্তান্তর করেন।
রুমান লিখিত বক্তব্যে আরও বলেন, ‘তফসীল ঘোষণার পর থেকেই হুইপ আতিক দীর্ঘদিন থেকে শেরপুর অবস্থান করছেন।’ নির্বাচন কমিশনের দৃষ্টি আর্কষণ করে নির্বাচন সুষ্ঠু ও অবাধ করার স্বার্থে নির্বাচন চলাকালে হুইপ আতিককে নির্বাচনি এলাকার বাইরে থাকার দাবি করেন তিনি।
সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচনি এলাকার বিভিন্ন ইউনিয়নের চেয়ারম্যান, মেম্বার এবং আওয়ামী লীগ ও এর অঙ্গসংগঠনের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নির্বাচনি আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে হুইপ আতিউর রহমান আতিক সাংবাদিকদের বলেন, ‘আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা ও বানোয়াট। আমি নির্বাচনে কোনও প্রভাব খাটাচ্ছি না। আমি সরকারি ও ব্যাক্তিগত কাজে শেরপুরে অবস্থান করছি।’
প্রসঙ্গত, এর আগেও ১৪ ডিসেম্বর হুইপ আতিকের বিরুদ্ধে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে সংবাদ সম্মেলন করেছিলেন রুমান।

/টিআর/