বরিশাল আঞ্চলিক নির্বাচন কার্যালয় থেকে জানা গেছে, বিভাগের ভোলা জেলায় কোনও পদেই জেলা পরিষদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হচ্ছে না। এছাড়া ঝালকাঠিতেও চেয়ারম্যান পদে ও বেশিরভাগ সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদেই একজন করে প্রার্থী থাকায় তারা বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। জেলার একটি সদস্য ও দুইটি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে অনুষ্ঠিত হবে নির্বাচন। সব মিলিয়ে বিভাগের পাঁচটি জেলায় সাধারণ সদস্য পদে প্রার্থীর সংখ্যা ১৮৮ জন, সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ৪৯ জন। আর চার জেলায় চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী রয়েছেন ১০ জন।
আঞ্চলিক নির্বাচন কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) আ. হালিম খান বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনকে সুষ্ঠু করার জন্য ভোটদানের স্থানে মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স ডিভাইস ব্যবহার করা যাবে না। প্রতিটি জেলায় কেন্দ্র রয়েছে ১৫টি। এসব কেন্দ্রের প্রতিটিতে একজন কর্মকর্তার নেতৃত্বে দুই জন অস্ত্রধারী পুলিশ, দুই জন অস্ত্রধারী আনসার ও নিরস্ত্র ১৫ জন আনসার মিলিয়ে ২০ সদস্যের টিম থাকছে।’
এছাড়া নির্বাচন সুষ্ঠু করতে স্ট্রাইকিং ফোর্স, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেটের নেতৃত্বে টিম থাকছে বলে জানিয়েছেন বরিশাল পুলিশ সুপার এসএম আক্তারুজ্জামান। তিনি বলেন, ‘বাড়তি নিরাপত্তার জন্য নির্বাচনের প্রতিটি কেন্দ্রে সিসি ক্যামেরা বসানো হয়েছে।’
আঞ্চলিক নির্বাচন অফিস থেকে পাওয়া তথ্যে জানা গেছে, বরিশাল জেলায় চেয়ারম্যান পদে দুই জন, সাধারণ সদস্য পদে ৩৬ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে সাত জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। সদর এই জেলায় মোট ভোটার সংখ্যা ১,২৪১ জন।
বরগুনা জেলায় চেয়ারম্যান পদে দুই জন, সদস্য পদে ৩৯ জন ও সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১৩ জন প্রার্থী রয়েছেন। জেলার ভোটার সংখ্যা ৬১৫ জন।
পিরোজপুর জেলায় ৩ জন চেয়ারম্যান পদে, ৬৩ জন সাধারণ সদস্য পদে ও ১৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে। এই জেলার মোট ভোটার ৭৩৫ জন।
পটুয়াখালীতে চেয়ারম্যান পদে তিন জন, সাধারণ সদস্য পদে ৪৭ জন ও চারটি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদে ১০ জন প্রার্থী লড়াই করছেন। এই জেলায় সংরক্ষিত ২নং আসনের প্রার্থী বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হয়েছেন। পটুয়াখালীর ভোটার ১,০২৯ জন।
অন্যদিকে, চেয়ারম্যান ও বেশ কয়েকজন সদস্য ও সংরক্ষিত নারী সদস্য বিনাপ্রতিদ্বন্দ্বিতায় নির্বাচিত হওয়ায় ঝালকাঠি জেলায় নির্বাচন হচ্ছে কেবল সদস্য পদে, ৫নং ওয়ার্ডে। এখানে তিন জন প্রার্থী রয়েছেন। আর দুইটি সংরক্ষিত নারী সদস্য পদের বিপরীতে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন চার জন। এই জেলার ভোটারের সংখ্যা ৪৫৩ জন।
/টিআর/