ব্রিফিংয়ে জেলার পুলিশ সুপার মাহফুজুর রহমান বলেন, ‘জেলার সাতটি উপজেলায় মোট ভোটকেন্দ্র রয়েছে ১৫টি। নির্বাচনকে সুষ্ঠ ও শান্তিপূর্ণ করতে এসব কেন্দ্রে একজন ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) নেতৃত্বে পর্যাপ্ত পরিমাণে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন। গড়ে প্রতিটি কেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্য থাকবেন ৫০ জনেরও বেশি।’ নির্বাচন সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ হবে বলে আশা প্রকাশ করেন তিনি।
এদিকে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মুনীর হোসাইন মঙ্গলবার (২৭ ডিসেম্বর) বাংলা ট্রিবিউনকে জানান, ভোট গ্রহণের জন্য প্রয়োজনীয় সব সরঞ্জাম পাঠানো শুরু হয়েছে। মঙ্গলবার দুপুর ১২টা থেকেই প্রতিটি উপজেলার প্রিজাইডিং অফিসারের কাছে এসব সরঞ্জাম হস্তান্তরের প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলে জানান তিনি।
মুনীর হোসাইন বাংলা ট্রিবিউনকে বলেন, ‘নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে পাঁচ জন প্রার্থী রয়েছেন। এছাড়া ১৫টি ওয়ার্ডে সদস্য পদে ৫৪ জন এবং পাঁচটি ওয়ার্ডে সংরক্ষিত (নারী) সদস্য পদে ১৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। জেলায় মোট ভোটার ৮শ ৮৮ জন।’
নির্বাচন সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে আওয়ামী লীগের সমর্থিত প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি গোলাম মহীউদ্দিন (আনারস প্রতীক)। আওয়ামী লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন মানিকগঞ্জ পৌরসভার সাবেক মেয়র ও জেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি রমজান আলী (মোবাইল ফোন প্রতীক)। এছাড়া স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন গণফোরামের প্রেসিডিয়াম সদস্য ও সাবেক সাংসদ মফিজুল ইসলাম খান (প্রজাপতি), বজলুল হক খান (কাপ-পিরিচ) ও কাজী রফিকুল ইসলাম (তালগাছ)।
/টিআর/