অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বেসরকারি শিক্ষক নিবন্ধন ও প্রত্যয়ন কর্তৃপক্ষের (এনটিআরসিএ) ১২ তম ব্যাচে পরীক্ষায় অংশ নিয়ে উত্তীর্ণ হন জেলার সদর উপজেলার আমলাহার এলাকার স্বদেশ চন্দ্র রায়ের স্ত্রী পল্লী রানী। উত্তীর্ণ হওয়ার পর এনটিআরসিএ কর্তৃপক্ষ তাকে পঞ্চগড় সদর উপজেলার মালাদাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে যোগদানের সুপারিশপত্র প্রদান করেন। সুপারিশপত্র পেয়ে যোগদানের কাগজপত্র নিয়ে পল্লী রানী একাধিকবার ওই বিদ্যালয়ে যোগদান করতে গেলে বিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ বিভিন্ন অজুহাতে তাকে যোগদান করতে দেননি। যোগদানের সর্বশেষ নির্ধারিত তারিখ গত ২৯ ডিসেম্বর গিয়ে যোদগান করতে না পেরে জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন তিনি।
পল্লী রানীর স্বামী স্বদেশ চন্দ্র রায় বলেন, ‘ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ কয়েকয়কজন সদস্যকে ৫ লাখ টাকা না দিলে যোগদানের সুযোগ নেই বলে তাকে জানিয়ে দিয়েছেন।’
মালাদাম আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক কালীপদ রায় বলেন, ‘যেহেতু সরকার কর্তৃক সে মনোনীত সেক্ষেত্রে তাকে নিয়োগ দিতে আমাদের কোনও আপত্তি নেই। তবে ম্যানেজিং কমিটির সভাপতিসহ দুই একজন কেন তাকে নিয়োগ দিচ্ছেননা সেটা আমার বোধগম্য নয়।’
ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি মো. নাজিম উদ্দীন বলেন, ‘আমাদের বিদ্যালয়ের শাখা দেখিয়ে এমনিতেই বেশি শিক্ষক নিয়োগ দেওয়া আছে। বর্তমানে শিক্ষার্থীর সংখ্যা কমে যাওয়ায় আগের নিয়োগ দেওয়া শিক্ষকদের বেতন বন্ধ হয়ে যেতে পারে এমন আশঙ্কায় তাকে নিয়োগ না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছি।’
এ সময় তিনি ৫ লাখ টাকা ঘুষ চাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করেন।
/এসএনএইচ/